
নয়া দিল্লি: গরমের ছুটি পড়ে গিয়েছে। এই সময়ে অনেকেই কাছে-পিঠে বা দূরে ঘুরতে যান। তবে একসঙ্গে অনেকের টিকিট পাওয়াটাই চাপের। কনফার্ম টিকিট পাওয়া যথেষ্ট কষ্টসাধ্য কাজ। অনেক আগে টিকিট না কাটলে, ওয়েটিং টিকিট পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ভরসা তৎকাল টিকিট।
তবে এই তৎকাল টিকিট পাওয়াও সাধারণ যাত্রীদের কাছে প্রায় অসম্ভব। যতক্ষণে যাত্রীরা ক্যাপচা কোড বসিয়ে, নিজের ব্যক্তিগত তথ্য বসান, ততক্ষণে সব টিকিট বুক হয়ে যায়। অনেকেরই অভিযোগ থাকে যে অটোমেটেড বট বা এজেন্টরাই আগে থেকে টিকিট কেটে রাখেন, তাই সাধারণ যাত্রীরা তৎকাল টিকিট পান না।
এবার ভারতীয় রেলওয়ে ও আইআরসিটিসি তৎকাল টিকিটে বিশাল এআই-পাওয়ার্ড আপগ্রেড করল। রেলওয়ের তরফে “সিটিজেন ফার্স্ট রেল টিকিটিং অ্যান্ড এআই শিডিউলিং” ব্যবস্থা আনা হয়েছে।
রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তৎকাল টিকিটে ব্ল্যাক মার্কেটিং রুখতে এবং আসল যাত্রীদের টিকিট পাইয়ে দেওয়ার সুবিধার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিছু প্যাটার্ন দেখে বুঝে যাবে যে কোনটি বট। অতিরিক্ত দ্রুত টাইপিং প্যাটার্ন, অটোমেটেড প্যাসেঞ্জার এন্ট্রি, অতি দ্রুত পেমেন্ট- এগুলি দেখেই প্রতারকদের চিহ্নিত করা যাবে এবং তাদের বুকিং আটকে দেওয়া হবে।
রেলের তরফে আগেই তৎকাল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আধার লিঙ্কিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। তৎকাল বুকিংয়ে ওটিপি ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নাহলে টিকিট বুক হবে না।
তৎকাল বুকিং সিস্টেমে পরিবর্তন হলেও, বুকিংয়ের সময়ে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। এসি ক্লাসের জন্য সকাল ১০টা থেকে এবং নন-এসি ও স্লিপার ক্লাসের জন্য সকাল ১১টা থেকে টিকিট বুকিং শুরু হয়।