RBI MPC Meeting EMI Impact: আপনার হোম লোন-পার্সোনাল লোনের EMI কি বেড়ে যাবে? আজই বড় ঘোষণা RBI-র
RBI Repo Rate Decision: গত এপ্রিল মাসে শেষ রিভিউ বৈঠকেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ২০২৭ অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক প্রবৃদ্ধি হার ৬.৯ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা বলে জানিয়েছিল। রিটেল ইনফ্লেশন বা মুদ্রাস্ফীতির হার ৪.৬ শতাংশ থাকবে। যদি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করে, তাহলে ব্যাঙ্কগুলিতে ঋণে সুদের হার বৃদ্ধি করতে বাধ্য হবে।

নয়া দিল্লি: আপনার পার্সোনাল লোন (Personal Loan), কার লোন (Car Loan) বা হোম লোনের (Home Loan) ইএমআই (EMI) কি বেড়ে যাবে? এখন এটাই সবার প্রশ্ন। আজ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India)। তিনদিনের মনিটারি পলিসি কমিটির (Monetary Policy Committee) বৈঠকের পর আজই রেপো রেট (Repo Rate) নিয়ে ঘোষণা করতে চলেছে আরবিআই (RBI)। যদি রেপো রেট বাড়ে, তাহলে ঋণের বোঝাও বেড়ে যাবে সাধারণ মানুষের।
আজ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা সকাল ১০টায় মনিটারি পলিসি কমিটির সিদ্ধান্তের ঘোষণা করবেন। এবারের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে ক্রুড তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রা দুর্বল হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বাড়ায় নাকি অপরিবর্তিত রাখে, তার দিকেই নজর সকলের। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, ব্যাঙ্ক ও কোম্পানিগুলিও আরবিআইয়ের ঘোষণার দিকেই নজর রেখেছে।
রেপো রেট বাড়লে কী হবে?
যদি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করে, তাহলে ব্যাঙ্কগুলিতে ঋণে সুদের হার বৃদ্ধি করতে বাধ্য হবে। হোম লোন, কার লোন, এমনকী পার্সোনাল লোনের মাসিক কিস্তি বা ইএমআই বৃদ্ধি পাবে অনেকটাই। এর ফলে সাধারণ মানুষের খরচ অনেক বেড়ে যাবে।
এর আগের মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে আরবিআই রেপো রেট ৫.২৫ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখেছিল। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে আরবিআই রেপো রেট ১২৫ বেসিস কমিয়েছিল।
আরবিআইয়ের কাছে কী কী চ্যালেঞ্জ?
অর্থনীতির মূল্যবৃদ্ধি বা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুদের হার নির্ধারণ করা আরবিআই (RBI)-এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ইরান-আমেরিকার সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে ক্রুড তেলের দাম বেড়েছে। যার জেরে বাধ্য হয়ে ভারত সরকারও পেট্রোল-ডিজেলের দাম পরপর চারবার বৃদ্ধি করেছে। লিটার প্রতি প্রায় সাড়ে সাত টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে জ্বালানির দাম। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও চারবার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরবিআই-ও রেপো রেট বাড়ে কি না, তার দিকেই নজর।
গত এপ্রিল মাসে শেষ রিভিউ বৈঠকেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ২০২৭ অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক প্রবৃদ্ধি হার ৬.৯ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা বলে জানিয়েছিল। রিটেল ইনফ্লেশন বা মুদ্রাস্ফীতির হার ৪.৬ শতাংশ থাকবে।
অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হল ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার পতন। যেহেতু ভারতকে তেল ও জ্বালানির চাহিদার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় এবং সম্পূর্ণ কেনাবেচাই ডলারে হয়, তাই বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার ক্রমাগত ফাঁকা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতির স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আরবিআই রেপো রেট বাড়াতে পারে।
