AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sabitri Chatterjee: ডি.লিট পেলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, ‘নেতা হতে চেয়েছিলাম কিন্তু…’ বললেন অভিনেত্রী

Sabitri Chatterjee honoured with dlitt : ডি.লিট উপাধি পেলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, 'নেতা হতে চেয়েছিলাম কিন্তু...' বললেন অভিনেত্রী উত্তমকুমার ও সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জুটিরও দর্শকদের মনে এক বিশেষ স্থান রয়েছে। সারাজীবন তিনি থিয়েটার থেকে বড়পর্দা হয়ে ছোটপর্দায় নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখে চলেছেন। আজও তিনি সমানতালে ক্যামেরার সামনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন।

Sabitri Chatterjee: ডি.লিট পেলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, 'নেতা হতে চেয়েছিলাম কিন্তু...' বললেন অভিনেত্রী
| Edited By: | Updated on: Jul 27, 2026 | 2:37 PM
Share

বাংলা সিনেমায় উত্তম-সুচিত্রা জুটিকে নিয়ে যেমন উন্মাদনা রয়েছে, ঠিক তেমনই উত্তমকুমার ও সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জুটিরও দর্শকদের মনে এক বিশেষ স্থান রয়েছে। সারাজীবন তিনি থিয়েটার থেকে বড়পর্দা হয়ে ছোটপর্দায় নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখে চলেছেন। আজও তিনি সমানতালে ক্যামেরার সামনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন।

সম্প্রতি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির তরফে তাঁকে ডি.লিট উপাধি প্রদান করা হয়। এই অনুষ্ঠানে এসে তিনি তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার কথা ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় বাংলাদেশে যখন থাকতাম, তখন নেতা হতে চেয়েছিলাম। এক নেতাকে ভাষণ দিতে দেখে নেতা হওয়ার ইচ্ছে জেগেছিল। বাবার একটা গ্রামোফোনের চোঙা নিয়ে ভরদুপুরে ‘পেটে ভাত দেব, কাজ দেব’ বলে হেঁকে বেড়িয়েছি। ফল হিসেবে পাড়ার লোক এসে বাবার কাছে নালিশ করে। বাবাও আমাকে বেশ বকাঝকা করেন। নেতা হওয়া আর হয়নি। তবে কপালে যা ছিল, তাই হয়েছে। নেতা নয়, অভিনেতা হয়ে গিয়েছি। মানুষ যা চায়, তা সবসময় হয় না। আবার না চাইতেও অনেক কিছু হয়ে যায়।”

ডি.লিট উপাধি পেয়ে অভিনেত্রী বেশ খুশি। বাবাকে স্মরণ করে আরও একটি ঘটনার কথা দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। বলেন, “আমাদের কোনও ভাই নেই। বাবা-মা খুব চেয়েছিলেন একটি পুত্রসন্তান। সেই চাওয়া থেকেই আমরা একের পর এক বোন এসেছি। আমরা দশ বোন। আমার দিদিদের কাছে শুনেছি, আমার জন্মের সময় বাড়ির সবাই ভেবেছিল, এবার ছেলে হবে। বাড়িতে সবাই মিষ্টি আর শাঁখ নিয়ে অপেক্ষা করছিল। দিদিরা বাড়ির কাছেই এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ির সবার সব প্রত্যাশায় জল ঢেলে আমার আগমন। বাড়ির সবাই কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। এদিকে দিদিরা যখন বাড়ির দিকে রওনা হয়, তখন পাড়ার কেউ গিয়ে বলে, ‘বাড়িতে কান্নাকাটি হচ্ছে, তোদের আবার বোন হয়েছে।’ সেই কথা শুনে দিদিরা ভয়ে আর সেদিন বাড়ি ফেরেনি, আত্মীয়ের বাড়িতেই রাত কাটিয়েছিল। বুঝতেই পারছেন, সবাইকে কাঁদিয়ে আমার এই ধরাধামে আগমন। আগে এই কথা শুনে খুব খারাপ লাগত, তবে আজ আর খারাপ লাগে না।”

Follow Us