
২০১৬ সালে বিমুদ্রাকরণ দেখেছিল ভারতের অর্থনীতি। তারপর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে পৌঁছে গিয়েছিল নয়া ৫০০ ও ২০০০ টাকার নোট। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৯ মে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই ২০০০ টাকার নোটও বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করে ও ধীরে ধীরে বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে নিতে থাকে।
২০২৩ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সেই ঘোষণার সময় বাজারে প্রায় ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কোটি টাকার নোট ছিল। পরবর্তীতে সেই নোটের প্রায় ৯৮.১ শতাংশ ফিরে যায় সরকারের ঘরেই। আরবিআইয়ের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর হিসাব বলছে এখনও বাজারে প্রায় ৬ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা পড়ে রয়েছে।
২০২৩ সালের ১৯ মে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নয়া ২০০০ টাকার নোট বন্ধের ঘোষণার পর তারা অক্টোবরের ৯ তারিখ পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। যে সময়ের মধ্যে পুরনো সব ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে গিয়ে বদলে নেওয়া যেত। আর সেই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও গোটা দেশে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ১৯টি আঞ্চলিক অফিসে এই নোট পালটে নেওয়ার সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়াও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল কোনও মানুষ ভারতীয় ডাকের মাধ্যমেও বদলে নিতে পারেন তাঁর ২০০০ টাকার নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, সে ক্ষেত্রে আরবিআইয়ের ইস্যু অফিসে সেই নোট ডাকের মাধ্যমে পাঠানোর কথা বলেছিল তারা। তাহলে নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমা হয়ে যাবে, জানিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাজার থেকে তুলে নেওয়া হলেও ২০০০ টাকার নোট এখনও বৈধ।