New Labour Law: বছরে ১০ লক্ষ টাকা আয়? নতুন নিয়মে হাতে কত কম আসতে পারে বেতন?
In-Hand Salary on New Labour Law: নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এতে বেসিক পে, ডিএ (Dearness Allowance) এবং রিটেনিং অ্যালাউন্স মিলিয়ে মোট বেতনের অন্তত ৫০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, বোনাস, এইচআরএ ও স্পেশাল অ্যালাউন্সকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এই বাদ দেওয়া অংশ ৫০ শতাংশের বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ আবার যোগ হবে।

নয়াদিল্লি: ১ এপ্রিল থেকে নতুন শ্রম আইন (New Labour Law) কার্যকর হয়েছে। যার জেরে বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসছে। সবথেকে বড় পরিবর্তন হল আপনাদের ইন হ্যান্ড স্যালারি (In-Hand Salary) কমতে চলেছে। তবে নতুন আইন অনুযায়ী, আপনার বার্ষিক আয় অর্থাৎ সিটিসি (CTC) বাড়বে। প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থের পরিমাণ বাড়বে। মূলত, ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য সঞ্চয়ের দিকে বেশি জোর দেওয়ার লক্ষ্যেই নতুন আইন এনেছে কেন্দ্র। তবে, নতুন শ্রম আইনের ফলে কতটা কম আসতে পারে আপনার ইন হ্যান্ড স্যালারি?
ইন হ্যান্ড স্যালারি কত কম হবে?
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কারও বার্ষিক আয় অর্থাৎ CTC যদি ১০ লক্ষ হয়, তাহলে নতুন নিয়মে মাসে ইন হ্যান্ড স্যালারি (কর বাদে) প্রায় ১১০০ টাকা কম আসতে পারে। তবে একই সঙ্গে বছরে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা হবে। গ্র্যাচুইটির পরিমাণও বাড়বে। নতুন শ্রম আইনের নিয়মে আয় অনুযায়ী, হাতে স্যালারি প্রায় ২ হাজার পর্যন্ত কম আসতে পারে।
নতুন নিয়মে কী বলা হয়েছে?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এতে বেসিক পে, ডিএ (Dearness Allowance) এবং রিটেনিং অ্যালাউন্স মিলিয়ে মোট বেতনের অন্তত ৫০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, বোনাস, এইচআরএ ও স্পেশাল অ্যালাউন্সকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এই বাদ দেওয়া অংশ ৫০ শতাংশের বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ আবার যোগ হবে। এই পরিবর্তনের ফলে EPFO-তে কর্মী ও নিয়োগকর্তার অবদান বাড়তে পারে। ফলে প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও বিমা কভারেজ বাড়লেও হাতে পাওয়া বেতন কিছুটা কমতে পারে।
আগে সাধারণত ট্যাক্স সাশ্রয় করতে এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) ও গ্র্যাচুইটির খরচ কমাতে কোম্পানিগুলো সবসময় বেসিক পে মোট CTC-র প্রায় ৩০-৪০ শতাংশের মধ্যে রাখত। তবে এবার মূল বেতনের অংশ বাড়বে এবং অন্যান্য ভাতার পরিমাণ কমবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে বেতন কমানো নয়, বরং ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য সঞ্চয়ের দিকে বেশি জোর দেওয়া। তাই স্বল্পমেয়াদে কিছুটা প্রভাব পড়লেও দীর্ঘমেয়াদের ক্ষেত্রে কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা আরও মজবুত হবে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।
