Assembly election: বাংলায় কবে বিধানসভা নির্বাচন? সোমে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা

Assembly election in West Bengal: সিইও দফতরে এই বৈঠক নিয়ে বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, "এটা তো ভালো কথা। সিইও অফিসে সর্বদলীয় বৈঠকও হয়। কিন্তু, এটা ঘটনা, বাংলায় কত দফায় ভোট হবে, কবে হবে, এটা একটা বিষয়। বাংলার নির্বাচন তো একটা মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১১ সালে এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সাল থেকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, খুবই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক।"

Assembly election: বাংলায় কবে বিধানসভা নির্বাচন? সোমে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা
বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 01, 2026 | 6:18 PM

কলকাতা: একাধিকবার তারিখ পিছনোর পর গতকাল এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তৎপর হল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। আগামিকাল(সোমবার) সিইও দফতর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনার জন্যই এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে।

একুশের নির্বাচনে বাংলায় আট দফায় ভোট হয়েছিল। এবার দফার সংখ্যা কমতে পারে বলে সূত্রের খবর। কত দফায় ভোট হবে, কবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হবে, এই সব নিয়েই সোমবার বৈঠক হবে সিইও দফতরে। দিনভর দফায় দফায় ভার্চুয়াল এই বৈঠক হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি কেমন, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। সেখানে ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন জেলাশাসকরা। পুলিশের শীর্ষ কর্তারা এবং CAPF-র নোডাল অফিসাররা থাকবেন। বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে।

সিইও অফিস জানিয়েছে, সকাল ১১টায় ভার্চুয়াল এই বৈঠক শুরু হবে। প্রথম বৈঠক চলবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। তারপর মধ্যাহ্নভোজন। এরপর আরও তিন দফায় বৈঠক হবে।

সিইও দফতরে এই বৈঠক নিয়ে বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “এটা তো ভালো কথা। সিইও অফিসে সর্বদলীয় বৈঠকও হয়। কিন্তু, এটা ঘটনা, বাংলায় কত দফায় ভোট হবে, কবে হবে, এটা একটা বিষয়। বাংলার নির্বাচন তো একটা মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১১ সালে এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সাল থেকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, খুবই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। তা সে পঞ্চায়েত, লোকসভা, বিধানসভা, যাই নির্বাচন হোক না কেন। মারামারি, ভোটের আগে সন্ত্রাস, ভোটের পর সন্ত্রাস, ভোটের দিন মৃত্যু। এই দিকগুলো বিবেচনা করে আমি বলব, নির্বাচন কমিশন যেন মানুষের আস্থা, ভরসা রক্ষা করতে পারে। আর শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ ভোট যেন হয়।”