
আপনার কোনও তথ্যে গোলমাল যদি থাকে বা খসড়া তালিকায় যদি আপনার নাম না থাকে অথবা আপনার কোনও তথ্য নিয়ে যদি সন্দেহ প্রকাশ করে কমিশন, তাহলেই কিন্তু আপনাকে হিয়ারিংয়ে ডেকে পাঠাবে কমিশন। ইতিমধ্যেই আপনি জানেন আপনাকে নিয়ে যদি সমন পাঠানো হয়, তাহলে কীভাবে আপনি সেই সমন পাবেন। এমনকি আপনি এটাও জেনে গিয়েছেন যে কোথায় হবে আপনার হিয়ারিং। কিন্তু সেই হিয়ারিংয়ে গিয়ে আপনাকে কী করতে হবে? বা আপনাকে ঠিক কী কী ডকুমেন্ট দেখাতে হবে হিয়ারিংয়ে গিয়ে?
আপনাকে নোটিস পাঠাবে বা আপনার মোবাইলে মেসেজ করে ইলেকশন কমিশন জানিয়ে দেবে আপনাকে হিয়ারিংয়ে যেতে হবে। সেই নোটিস নিয়ে আপনার বাড়িতে দিয়ে যাবে আপনার এলাকার বিএলও। কোথায় হবে হিয়ারিং? আপনার জেলার মধ্যেই কোনও সরকারি অফিসে আপনার হিয়ারিং হবে। হয়তও জেলা শাসকের অফিসে কিম্বা আপনার মহকুমা শাসকের অফিসে হবে হিয়ারিং। কিন্তু এই হিয়ারিংয়ে গিয়ে আপনি কী করবেন? আসলে আপনাকে কেন ডাকা হয়েছে, সেই প্রশ্ন আপনাকে করবে এই ইআরও বা এইআরও। অর্থাৎ, আপনার ঠিক কোন তথ্য দেখে সন্দেহ জন্মেছে কমিশনের, সেই বিষয়েই জানতে চাইবে তারা। তারপর দেখতে চাইবে আপনার বৈধ নথিও।
যদি আপনার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ জন্মায় কমিশনের মনে তাহলে তারা আপনার জন্ম তারিখ ও ঠিকানার প্রমাণপত্র দেখতে চাইবে। অর্থাৎ, আপনার বার্থ সার্টিফিকেট বা তার সমকক্ষ কোনও নথি আপনাকে দেখাতে হবে। এ ছাড়াও আপনি যে এই বাংলার স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রমাণও আপনার কাছ থেকে দেখতে চাইবে ইলেকশন কমিশন।