পশ্চিমবঙ্গ লোকসভা নির্বাচন 2024 দলের ফলাফল তালিকা

রাজনৈতিক দলগুলিকে জাতীয় বা রাজ্য স্তরের দলীয় মর্যাদা দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন বিধি 1968 অনুসরণ করা হয়। এই নিয়ম অনুসারে, জাতীয় দলের মর্যাদা পেতে, যে কোনও দলকে লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে ৪ বা তার বেশি রাজ্যে

National Party (জাতীয় দল)

যেকোনও নির্বাচনেই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক জায়গায় নির্দল প্রার্থীরাও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে সফল হয়েছেন। কংগ্রেস দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল এবং ভারতের সংসদীয় ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যক নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার রেকর্ড রয়েছে।

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া-এম, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট ৭টি জাতীয় দল মাঠে নেমেছিল। নির্বাচনে এই ৭টি জাতীয় দল মোট ১৪৫৪ জন প্রার্থী দিয়েছিল, তাদের মধ্যে মাত্র ৩৯৭ জন জয়ী হয়েছিল। আম আদমি পার্টি ২০২৩ সালে জাতীয় দলের মর্যাদা পায়।

Party Name Leads + Result Party Logo Party President Party Establishment Year
Bharatiya Janata Party J P Nadda 1980
Indian National Congress Mallikarjun Kharge 1885

স্বাধীনতার পর ১৯৫১-৫২ সালে দেশে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম লোকসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জাতীয় দলের সংখ্যা ছিল ১৪। কিন্তু বর্তমানে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় দলের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬-এ। এতে কংগ্রেস ও সিপিআই এমন দুটি দল রয়েছে, যা এখনও জাতীয় দল হিসেবে মাঠে লড়ছে। এই দুটি দলই এখনও অবধি অনুষ্ঠিত সব লোকসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোট ৬টি রাজনৈতিক দল জাতীয় দলের মর্যাদা পেয়েছে। এই দলগুলি হল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), কংগ্রেস, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআইএম), বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এবং আম আদমি পার্টি। এর মধ্যে বিএসপি ছাড়া সব দলই কোনও না কোনও জোটের অংশ। ২০২৩ সালে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের তকমা পায়। 

রাজনৈতিক দলগুলিকে জাতীয় বা রাজ্য স্তরের দলীয় মর্যাদা দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন বিধি 1968 অনুসরণ করা হয়। এই নিয়ম অনুসারে, জাতীয় দলের মর্যাদা পেতে, যে কোনও দলকে লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে ৪ বা তার বেশি রাজ্যে। এছাড়া এসব নির্বাচনে ওই দলের অন্তত ৬ শতাংশ ভোট পাওয়াও জরুরি।

শুধু তাই নয়, যে কোনও রাজ্য, অঞ্চল বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে সেই দলের কমপক্ষে ৪ জন প্রার্থীকে সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হতে হবে। অথবা অন্তত ৪টি রাজ্যে আঞ্চলিক দল হিসেবে দলটির মর্যাদা থাকতে হবে। অথবা দলটিকে লোকসভার মোট আসনের অন্তত ৫০ শতাংশ জিততে হবে। 


আঞ্চলিক দল-
 
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি        
অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম (AIADMK)
অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদ-উল মুসলিমীন (AIMIM)
অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (AIUDF)
আপন দল (সোনেলাল) পার্টি        
ভারত রাষ্ট্র সমিতি        
বিজু জনতা দল        
কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া        
দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম        
হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (ধর্মনিরপেক্ষ) 
ভারতীয় জাতীয় লোকদল    
জনতা দল ইউনাইটেড    
জনতা দল সেকুলার    
ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা    
লোক জনশক্তি পার্টি    
ন্যাশনাল কনফারেন্স পার্টি    
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (শরদ পওয়ার)
রাষ্ট্রীয় জনতা দল    
রাষ্ট্রীয় লোকদল    
সমাজবাদী পার্টি    
শিরোমণি আকালি দল
শিবসেনা (ইউবিটি)    
সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি
তেলেগু দেশম পার্টি    
তৃণমূল কংগ্রেস    
ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি    

যেকোনও নির্বাচনেই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক জায়গায় নির্দল প্রার্থীরাও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে সফল হয়েছেন। কংগ্রেস দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল এবং ভারতের সংসদীয় ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যক নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার রেকর্ড রয়েছে।

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া-এম, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট ৭টি জাতীয় দল মাঠে নেমেছিল। নির্বাচনে এই ৭টি জাতীয় দল মোট ১৪৫৪ জন প্রার্থী দিয়েছিল, তাদের মধ্যে মাত্র ৩৯৭ জন জয়ী হয়েছিল। আম আদমি পার্টি ২০২৩ সালে জাতীয় দলের মর্যাদা পায়।

দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের কথা বলতে গেলে, কংগ্রেস এবং  কমিউনিস্ট পার্ অব ইন্ডিয়া সহ ১৪টি জাতীয় দল ১৯৫১-৫২ সালে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। এতে কংগ্রেস সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে আসে। কংগ্রেস ৪৯৯টি আসনের মধ্যে ৩৬৪টি আসন জয়ী হয়। কমিউনিস্ট পার্টি ১৬টি আসন জিতে দ্বিতীয় স্থান দখল করে। সর্বাধিক সংখ্যক আসনের ক্ষেত্রে, কংগ্রেসের পরে নির্দল প্রার্থীরা সর্বাধিক আসনে জয়লাভ করেছিল।  ৩৭ জন নির্দল প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হন। সমাজতান্ত্রিক দল ১২টি আসন পেয়ে, তৃতীয় স্থান দখল করে।  

দেশের সংসদীয় ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয় অর্জনের গৌরবও রয়েছে কংগ্রেসের। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর  নির্বাচনে কংগ্রেস ৪০০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করেছিল। কংগ্রেস মোট ৪১৫টি আসনে জিতেছিল,  অন্ধ্র প্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টি ৩৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল এবং ৩০টি আসনে জয়লাভ করেছিল। সিপিআই জিতেছিল ২২টি আসনে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে খাতা খুলেছিল। ২টি আসনে জয়ী হয়েছিল। 

এই আসনগুলির মধ্যে অন্ধ্র প্রদেশের হানামকোন্ডা  আসনে, বিজেপি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরবর্তী সময়ের প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাওকে পরাজিত করেছিল। 

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৬০০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করেছিল। কিন্তু জিতেছে মাত্র কয়েকটি দল। গত লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় দলের সংখ্যা ছিল ৭। এতে ভারতীয় জনতা পার্টি সর্বাধিক ৩০৩টি আসনে জিতেছিল এবং কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (সিপিআই)-কে সবথেকে কম, ২টি আসন পেয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।

ভোটের খবর ২০২৪

স্ত্রীদের দাঁড় করিয়ে জেতার চেষ্টা! জনতা প্রত্যাখ্যান করল বাহুবলীদের
স্ত্রীদের দাঁড় করিয়ে জেতার চেষ্টা! জনতা প্রত্যাখ্যান করল বাহুবলীদের
'মা সীতাকেও রেয়াত করেনি', অযোধ্যাবাসীর উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন 'লক্ষ্মণ'
'মা সীতাকেও রেয়াত করেনি', অযোধ্যাবাসীর উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন 'লক্ষ্মণ'
অন্ধ্র থেকে কেন ধুয়ে মুছে সাফ জগন রেড্ডির দল?
অন্ধ্র থেকে কেন ধুয়ে মুছে সাফ জগন রেড্ডির দল?
জেলে বসেই জিতলেন! ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকারীর ছেলে পৌঁছে গেলেন সংসদে
জেলে বসেই জিতলেন! ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকারীর ছেলে পৌঁছে গেলেন সংসদে
পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী নবীন কেন হারলেন? ওড়িশায় বিজেডির পতনের কারণ
পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী নবীন কেন হারলেন? ওড়িশায় বিজেডির পতনের কারণ
মায়াবতীর জমানা শেষ? উত্তর প্রদেশের দলিত মুখ এখন ভীম আর্মির প্রধান
মায়াবতীর জমানা শেষ? উত্তর প্রদেশের দলিত মুখ এখন ভীম আর্মির প্রধান
দিল্লিতে খালি হাত, পঞ্জাবে তিন আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে কেজরীর দলকে
দিল্লিতে খালি হাত, পঞ্জাবে তিন আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে কেজরীর দলকে
বৌদি পারলেন না, জিতলেন ননদ! ভাইপো নয় কাকাতেই আস্থা জনগণের
বৌদি পারলেন না, জিতলেন ননদ! ভাইপো নয় কাকাতেই আস্থা জনগণের
তৃতীয় দফাতেও বড় পদক্ষেপ করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
তৃতীয় দফাতেও বড় পদক্ষেপ করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর