AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দেড় দশক পেরিয়েও আসছে চেক! জানেন কোন ছবির জন্য এখনও টাকা পেয়ে চলেছেন অনিল?

রিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই।

দেড় দশক পেরিয়েও আসছে চেক! জানেন কোন ছবির জন্য এখনও টাকা পেয়ে চলেছেন অনিল?
| Updated on: Mar 14, 2026 | 1:49 PM
Share

তিনি বলিউডের ঝাকাস কাপুর। এখনও দেখলে বোঝা যায় না, তাঁর বয়স প্রায় সত্তর। ফিটনেসে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারে নতুন প্রজন্মের নায়কদের। জানেন সেই অনিল কাপুর, বহু আগে একটি ছবিতে অভিনয় করার পর, এখনও সেই ছবির পারিশ্রমিক পেয়ে চলেছেন! নাহ, কোনও গুঞ্জন নয়। বরং অনিল নিজেই জানালেন সেকথা।

২০০৮ সালের ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’ বদলে দিয়েছিল ভারতীয় সিনেমার বিশ্বজনীন সংজ্ঞা। সেই ছবির কুইজ মাস্টার প্রেম কুমারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুর। মজার বিষয় হল, ছবিটি মুক্তির ১৮ বছর পরেও সেই কাজ থেকে রয়্যালটি বাবদ মোটা টাকা পাচ্ছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অনিল কাপুর নিজেই এই কথা খোলসা করে উপস্থিত দর্শকদের চমকে দিয়েছেন।

কনক্লেভের একটি বিশেষ অধিবেশনে অনিল অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “একটি খুব গোপন কথা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। দেড় দশকেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে ছবিটির, কিন্তু বিশ্বাস করবেন না, গতকালই আমি ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’-এর জন্য একটি পে-চেক পেয়েছি।” কত টাকা পেলেন? উত্তরে অভিনেতা জানান, গতকালের চেকে ৩০০০ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বেশি) ছিল। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সব ট্যাক্স দিয়ে দিই, তাই বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমি প্রায় ৫ লক্ষ পাউন্ড (প্রায় সাড় ৫ কোটি টাকা) পেতে চলেছি। আমি নিজেই এখন একজন মিলিওনেয়ার! আমি এই টাকা চাইনি, ওঁরা নিজেরাই আমায় দিচ্ছেন।”

পরিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অনিল তখন পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন, “আমি কি টাকা চেয়েছি? আমি বিনা পয়সায়  কাজ করতে রাজি।” অভিনেতার এই উদারতা আর ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবেই সম্ভবত আজ লভ্যাংশের চেক পৌঁছে যাচ্ছে তাঁর ঠিকানায়।

বয়স কেবলই একটা সংখ্যা মাত্র, মঞ্চে দাঁড়িয়ে যেন সেটাই প্রমাণ করলেন ‘ঝাকাস’ অভিনেতা। নিজের অভিজ্ঞতা এবং অদম্য জেদ নিয়ে আজও বলিউডে নিজের দাপট বজায় রেখেছেন অনিল কাপুর।

Follow Us