AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

গুরুতর অস্ত্রোপচার আহান পাণ্ডের, কী ঘটেছে সাইয়ারা নায়কের?

২৮ বছর বয়সী এই অভিনেতার কাছে এই সময়কালটি ছিল শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। ‘এসকোয়ার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের এই কঠিন সফরের খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন তিনি। পুরনো চোট ও ‘জিরো’ থেকে শুরুর লড়াইআহানের এই সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল কয়েক বছর আগে এক স্নো-মোবাইল দুর্ঘটনার মাধ্যমে।

গুরুতর অস্ত্রোপচার আহান পাণ্ডের, কী ঘটেছে সাইয়ারা নায়কের?
| Updated on: Mar 03, 2026 | 1:32 PM
Share

সবেমাত্র ‘সাইয়ারা’ (Saiyaara) ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছেন তিনি। পর্দার সাফল্য যখন চারিদিকে চর্চিত, ঠিক সেই সময়েই পর্দার আড়ালে এক চরম শারীরিক লড়াই লড়ছিলেন চাঙ্কি পাণ্ডের ভাইপো আহান পাণ্ডে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আহান ফাঁস করেছেন যে, ছবি মুক্তির পরপরই তাঁর কাঁধে একটি বড়সড় অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল, যা তিনি দীর্ঘ সময় জনসমক্ষ থেকে আড়ালে রেখেছিলেন।

২৮ বছর বয়সী এই অভিনেতার কাছে এই সময়কালটি ছিল শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। ‘এসকোয়ার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের এই কঠিন সফরের খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন তিনি। পুরনো চোট ও ‘জিরো’ থেকে শুরুর লড়াইআহানের এই সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল কয়েক বছর আগে এক স্নো-মোবাইল দুর্ঘটনার মাধ্যমে। সেই সময় তাঁর কাঁধের হাড় সরে যায়, যা তাঁর শরীরচর্চা ও অভিনয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফিটনেস বজায় রাখার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

কেরিয়ারের শুরুতে এই চোটকে আর বাড়তে দিতে চাননি তিনি। তাই প্রথম ছবি মুক্তির ঠিক পরেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। আহান জানান, “সাইয়ারা মুক্তির পর আমাকে এই অস্ত্রোপচার করাতে হয়। এটি সব থেকে যন্ত্রণাদায়ক অস্ত্রোপচারগুলির মধ্যে একটি, যার সেরে ওঠার প্রক্রিয়াও অনেক দীর্ঘ।” চিকিৎসকরা তাঁকে সতর্ক করেছিলেন যে, এই অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক উন্নতি বা পেশীবহুল শরীর একেবারে ‘জিরো’ বা শূন্যে নেমে যাবে। পরিচালক আলি আব্বাস জাফরের পরবর্তী ছবির জন্য নিজেকে পুনরায় তৈরি করা তাঁর কাছে ছিল এক হিমালয় প্রমাণ চ্যালেঞ্জ।অনুপ্রেরণা ও নিভৃত লড়াই, সাধারণত অভিনেতাদের বডি ট্রান্সফরমেশন বা শারীরিক পরিবর্তন দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হন। কিন্তু আহানের লড়াই ছিল ভিন্ন। তিনি বলেন, “আমি আহত অবস্থা থেকে এমন এক পর্যায়ে গিয়েছিলাম যেখানে নড়াচড়া করাও কঠিন ছিল। সেখান থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে ভারোত্তোলনের স্তরে নিয়ে আসাটাই ছিল আমার মোটিভেশন।”কয়েকমাস প্লাস্টার হাতে এবং সীমিত নড়াচড়ার মধ্যে কাটলেও বাইরের কেউ তা টের পাননি। আহান অবাক হয়ে বলেন, “কীভাবে যে কেউ এটা বুঝতে পারল না, আমি জানি না!”