AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Aishwarya Rai Bachchan: বয়স ৫৩, দেখতে লাগে একেবারে হাফ! জানেন রোজ কী কী খান ঐশ্বর্য রাই বচ্চন?

Aishwarya Rai Bachchan diet: কীভাবে ধরে রেখেছেন এই নিখুঁত ফিটনেস? কোন জাদুবলে আজও তিনি এমন আকর্ষণীয়? অনুরাগীদের মনে এই প্রশ্ন বহুদিনের। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে বলিউড ডিভার প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়া ও ফিটনেসের রুটিন।

Aishwarya Rai Bachchan: বয়স ৫৩, দেখতে লাগে একেবারে হাফ! জানেন রোজ কী কী খান ঐশ্বর্য রাই বচ্চন?
| Updated on: Nov 03, 2026 | 3:08 PM
Share

বয়স বাড়লেও রূপের জৌলুস যেন একটুও ম্লান হয়নি তাঁর। ১ নভেম্বর ৫৩ বছরে পা দিলেন বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। আজও রূপের জাদুতে এবং ফিটনেসে তিনি টেক্কা দিতে পারেন যেকোনও তরুণী অভিনেত্রীকে। কীভাবে ধরে রেখেছেন এই নিখুঁত ফিটনেস? কোন জাদুবলে আজও তিনি এমন আকর্ষণীয়? অনুরাগীদের মনে এই প্রশ্ন বহুদিনের। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে বলিউড ডিভার প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়া ও ফিটনেসের রুটিন।

জানা গিয়েছে, কোনও চরম বা কঠোর ডায়েটে বিশ্বাসী নন ঐশ্বর্য। বরং সহজ-সরল ঘরোয়া খাবারই তাঁর প্রধান পছন্দ। বাইরের তেল-মশলাদার জাংক ফুড থেকে দূরে থেকে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবারেই ভরসা রাখেন তিনি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, সারাদিন ঠিক কী কী খান বচ্চন পরিবারের এই সুন্দর।

ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করেন অভিনেত্রী। এটি তাঁর শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে এবং ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। এরপর প্রাতঃরাশে তিনি কখনও বাদ দেন না। প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর খাবার খেতেই পছন্দ করেন তিনি। ব্রেকফাস্টে তাঁর পছন্দের তালিকায় থাকে ব্রাউন ব্রেড টোস্ট এবং ওটস।

দুপুরের খাবারে ঐশ্বর্যের প্রথম পছন্দ ‘ঘরের খাবার’। অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভাজাভুজি খাবারের বদলে তিনি সাধারণ ডাল, রুটি এবং সেদ্ধ করা সবজি খেতে ভালোবাসেন। একবারে পেটপুরে না খেয়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিমিত পরিমাণে খাবার খাওয়াই তাঁর অভ্যাস।

রাতের খাবার সবসময় হালকা রাখতে পছন্দ করেন ঐশ্বর্য। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিনারে ব্রাউন রাইসের সঙ্গে গ্রিলড মাছ খেতে ভালোবাসেন তিনি। এছাড়া সারাদিনে যখনই সামান্য ক্ষিদে পায়, তখন জাংক ফুডের বদলে টাটকা মৌসুমি ফল এবং ড্রাই ফ্রুটস বা বাদাম খেয়ে থাকেন। নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে সারাদিন প্রচুর পরিমাণে জল খান তিনি।

খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি শরীরচর্চাকেও জীবনের অঙ্গ করে নিয়েছেন ঐশ্বর্য। হেভি জিম ওয়ার্কআউটের চেয়ে যোগাসনের ওপরই তাঁর ঝোঁক বেশি। প্রতিদিন সকালে হাঁটা, জগিং এবং প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে পাওয়ার যোগা করেন তিনি। পাশাপাশি অতীতে কার্যকরী ফাংশনাল ট্রেনিং এবং কার্ডিও ওয়ার্কআউটও করেছেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে ঘরোয়া খাবার আর কড়া নিয়মানুবর্তিতাই যে ঐশ্বর্যের চিরসবুজ থাকার মূল চাবিকাঠি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!

Follow Us