‘আর মাত্র ২১ দিন চলবে’, ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে বড় কথা বলে দিলেন অক্ষয়, নেপথ্যে কোন কারণ?
অক্ষয় কুমারের মতে, বক্স অফিসে কোনও বড় সিনেমার দাপট সামলানোর জন্য ২১ দিনের ব্যবধান বা ‘উইন্ডো’ হল আদর্শ সময়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিন সপ্তাহ হল একটি ব্লকবাস্টার সিনেমার প্রাথমিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যপূরণের জন্য পর্যাপ্ত সময়। তাঁর বিশ্বাস, ‘ধুরন্ধর ২’ যখন দাপিয়ে ব্যবসা করছে, তখন সেটি আসলে পরবর্তী সিনেমাগুলোর পথ আরও প্রশস্ত করে দিচ্ছে।

বক্স অফিসে এখন ‘ধুরন্ধর ২’-এর একাধিপত্য। আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমার দারুণ সাফল্য দেখে যখন গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি স্তম্ভিত, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছিল, এর পরবর্তী বড় রিলিজগুলোর ভবিষ্যৎ কী? বিশেষ করে অক্ষয় কুমারের বহু প্রতীক্ষিত হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’ (Bhooth Bangla) কি ‘ধুরন্ধর’ ঝড়ের মুখে দাঁড়িয়ে ১০ই এপ্রিল মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেবে?
গত কয়েকদিন ধরে বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন ছিল যে, ‘ধুরন্ধর ২’-এর রেকর্ডভাঙা ব্যবসার কারণে অক্ষয় কুমারের সিনেমাটি মে মাসে পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে স্বয়ং অক্ষয় কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁরা তাঁদের পূর্বপরিকল্পিত ১০ই এপ্রিলের তারিখেই অনড় থাকছেন। কেন এই ঝুঁকি নিচ্ছেন? তার নেপথ্যে এক চমৎকার ব্যবসায়িক সমীকরণ তুলে ধরেছেন অভিনেতা।
অক্ষয় কুমারের মতে, বক্স অফিসে কোনও বড় সিনেমার দাপট সামলানোর জন্য ২১ দিনের ব্যবধান বা ‘উইন্ডো’ হল আদর্শ সময়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিন সপ্তাহ হল একটি ব্লকবাস্টার সিনেমার প্রাথমিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যপূরণের জন্য পর্যাপ্ত সময়। তাঁর বিশ্বাস, ‘ধুরন্ধর ২’ যখন দাপিয়ে ব্যবসা করছে, তখন সেটি আসলে পরবর্তী সিনেমাগুলোর পথ আরও প্রশস্ত করে দিচ্ছে। কারণ, এই ধরনের মেগা-হিট ছবি দর্শকদের আবার প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার অভ্যেস ফিরিয়ে আনে, যার সুফল পায় পরের ছবিগুলোও।
১০ই এপ্রিল যখন ‘ভূত বাংলা’ মুক্তি পাবে, ততদিনে প্রেক্ষাগৃহে নতুন স্বাদের সিনেমার জন্য যথেষ্ট জায়গা তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করছেন অক্ষয়। তিনি জানান, একটি ছবির সাফল্য ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে, যা পরবর্তী ছবির প্রচার ও সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সাহায্য করে। বিষয়টিকে তিনি কেবল ‘প্রতিযোগিতা’ হিসেবে না দেখে ইন্ডাস্ট্রির সামগ্রিক উন্নতির চাকা হিসেবে দেখছেন।
‘ভূত বাংলা’র মুক্তি নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার টানাপোড়েন চলেছে। প্রথমে ২রা এপ্রিল মুক্তির কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে ১৫ই মে করা হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ ‘ধুরন্ধর ২’ পরবর্তী প্রেক্ষাগৃহের এই উন্মাদনাকে কাজে লাগাতে নির্মাতারা ১০ই এপ্রিলকেই চূড়ান্ত করেছেন। অক্ষয় কুমারের এই আত্মবিশ্বাস এখন বক্স অফিসে কতটা সফল হয়, নজর থাকবে সেদিকেই।
