
নিরঞ্জন (Niranjan), সোশাল মিডিয়ায় যাঁকে সবাই ‘লাফটার সেন’ নামেই বেশি চেনে, তিনি এখন বিগ বস বাংলার (Bigg Boss Bangla 2026) ঘরে। স্ক্রিনে যাকে দেখলে মানুষের মন ভালো হয়ে যায়, সারাক্ষণ হাসিখুশি থাকা সেই ছেলেটার চোখে এবার জল! ২৪ ঘণ্টার ক্যামেরার নজরদারি, চারপাশের তীব্র প্রতিযোগিতা আর রেষারেষির চাপে তিনি রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছেন। আচমকাই তাঁর মনে সংশয় জাগল, “আমি কি আদৌ এই শোয়ের জন্য যোগ্য?”
ডিজিটাল দুনিয়ায় লাখ লাখ মানুষকে যিনি হাসিয়ে পাগল করেন, তিনিই এখন চরম মানসিক দ্বন্দ্বে। কারণ তাঁর মতে বিগ বসের ঘরে টিকে থাকতে গেলে যে ধরনের ঝগড়া, বা কূটকচালি করতে হয়, তা তাঁর ধাতে নেই। তাঁর মনে হচ্ছে, জোর করে ক্যামেরার সামনে নিজেকে ছোট করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বিগ বসের কাছে সটান গিয়ে তিনি নিজের মনের কথা খুলে বলেন। জানতে চান, তিনি কি সত্যি এই খেলার যোগ্য, নাকি তাঁকে ইচ্ছাকৃত কোনও খারাপ কাজ করতে হবে লাইমলাইটে থাকার জন্য?
বিগ বসের ভরসায় কাটল ভয়
নিরঞ্জনের এই অসহায় অবস্থা দেখে এগিয়ে আসেন স্বয়ং বিগ বস। তিনি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। বিগ বস জানান, দর্শক নিরঞ্জনের এই সহজ-সরল আর মিষ্টি স্বভাবটাই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। তাঁর আলাদা করে কোনও বদমাইশি বা নাটক করার দরকার নেই। রিয়েল লাইফে তিনি যেমন, গেমের ভেতরেও ঠিক তেমনই থাকুন। বিগ বসের এই কথা শোনার পর নিরঞ্জনের মন থেকে যেন একটা বড় চিন্তার পাথর নেমে গিয়েছে।
আবেগঘন হল বিগ বসের ঘর
শুধু নিরঞ্জন নন, বিগ বসের ঘরের বাকি সদস্যদেরও মন বেশ খারাপ। বাইরের দুনিয়া থেকে একদম আলাদা হয়ে থাকায় সোহিনী, ঝিলম এবং তনুশ্রীর মনের ভেতরেও একটা কষ্ট কাজ করছিল। তাঁদের এই মন কেমন করার বিষয়টা বিগ বস ঠিকই বুঝতে পারেন।
এরপরই ঘটে এক দারুণ ঘটনা। বিগ বস এই প্রতিযোগীদের বাড়ির খবর তাঁদের দেন। পরিবারের মানুষজন থেকে শুরু করে তাঁদের আদরের পোষ্যরা কেমন আছে, সব খবরই পান তাঁরা। এতদিন পর কাছের মানুষদের সুস্থ থাকার খবর পেয়ে সবার চোখেই জল চলে আসে। তবে সেই কান্নার সঙ্গে মিশে ছিল একগাল সুন্দর হাসিও।