
বক্স অফিসের যাবতীয় হিসেবনিকেশ ওলটপালট করে দিয়ে এগিয়ে চলেছে ‘ধুরন্ধর ২’। রণবীর সিংয়ের ম্যাজিক আর আদিত্য ধরের নিখুঁত পরিচালনায় এই ছবির প্রশংসা এখন ঘরে ধরে। মুক্তির মাত্র ৯ দিনেই বিশ্বজুড়ে ১০০০ থেকে ১১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়ে ইতিহাস তৈরি করেছে এই ছবি। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এটিই প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি, যার পরপর দুটো ছবি ১০০০ কোটির গণ্ডি পার করেছে।
মুক্তির মাত্র তিন দিনের মাথায় ৫০০ কোটির ক্লাবে নাম লিখিয়েছিল ‘ধুরন্ধর ২’। পাঁচ দিন যেতে না যেতেই সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে যায় ৭০০ কোটিতে। আশ্চর্যের বিষয় হল, নবম দিনে এসে সংগ্রহের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। ভারতে এই ছবির নেট কালেকশন ইতিমধ্যেই ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। ভারতের প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহ তো বটেই, বিদেশের মাটিতেও রণবীর সিংয়ের জনপ্রিয়তা ছবিটিকে এই অবিশ্বাস্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
এই ঝড়ে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের বহু বিগ বাজেট ছবি। ‘জওয়ান’, ‘পাঠান’, ‘অ্যানিমেল’ কিংবা ‘স্ত্রী ২’-এর মতো ব্লকবাস্টারের লাইফটাইম গ্রস কালেকশনকে ইতিমধ্যেই টপকে গিয়েছে ‘ধুরন্ধর ২’। এমনকি ‘বাহুবলী ২’ বা ‘পুষ্পা ২’-এর মতো প্যান-ইন্ডিয়া ছবিগুলোর সেট করা বেঞ্চমার্ককেও এখন বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে আদিত্য ধরের এই ছবি।
এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন, ছবিটি কি ২০০০ কোটির মাইলফলক ছুঁতে পারবে? প্রথম সপ্তাহের সেই প্রবল উন্মাদনা পেরিয়ে এখন ছবির আয় কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, যা যে কোনও বড় ছবির ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক। তবে পরিসংখ্যান বলছে, আগামী ২০ দিনে যদি ছবিটি গড়ে প্রতিদিন ৪৫ থেকে ৫০ কোটি টাকা আয় করতে পারে, তবে ৩০ দিনের মাথায় ২০০০ কোটির ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়া অসম্ভব নয়। যদি ওপেনিং উইকের অন্তত ৪০-৪৫ শতাংশ গতিও ছবি ধরে রাখতে পারে, তবে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। আদতেও কত কোটির গন্ডি ছোঁবে এই ছবি? সেই উত্তর সময় বলবে।