৮-৯ বছর বয়সি করিনাকেই মনে ধরে সইফের, স্টুডিয়োর জানালা দিয়ে তাঁকে দেখেই ঠিক করেন…
Saif Ali Khan: এই ঘটনার কথা সকলে হয়তো জানেন না যে, করিনা কাপুরকে দেখে অনেক আগে থেকেই মুগ্ধ ছিলেন সইফ। সেই সময় তাঁদের বিয়ের সম্ভাবনার কথা কেউই জানতেন না। নিজের মুখে অনেক কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন সইফ নিজেই।

জানেন কি কখন সাইফ আলি খানের নজরে এসেছিলেন করিনা কাপুর খান? সেই বয়সটা জানলে অবাক হয়ে যাবেন। সাইফ আলি খানের সঙ্গে যখন অমৃতা সিংয়ের বিয়ে হয়েছিল, সে সময় করিনা কাপুর খানের বয়স ছিল মাত্র ১০। সইফ-অমৃতার বিয়েতে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন করিনা। বালিকা করিনাকে দেখে সইফ বলেছিলেন, “কেমন আছো বেটা?” এই ঘটনাটা সকলেরই জানা।
সেই প্রথম সাক্ষাৎ ছিল না সইফ-করিনার। তার অনেক আগে থেকে করিনাকে দেখে ‘সুন্দরী’ বলে মনে হয়েছিল সাইফের। এক বার এক টকশোতে এসে শাহরুখ খানকে সেই কথা জানিয়েছিলেন সইফ আলি খান নিজেই। মুম্বইয়ের এক স্টুডিয়োতে শুটিং চলছিল সাইফ আলি খানের। সেই একই স্টুডিয়োতে শুটিং করছিলেন করিনা কাপুর খানের দিদি অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুর। শুটিংয়ের একটা জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখছিলেন করিনা। ছোট্ট মেয়েটার দিকে নজর পড়েছিল সইফের। তিনি নাকি তখন মনে-মনে বলেছিলেন, “কী সুন্দরী মেয়েটা।” এখন কারিনার বয়স হবে ৮ কি ৯!
সেই টকশোতে সইফকে তাঁর প্রেমজীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন শাহরুখ খান। সেই সময় উৎফুল্ল হয়ে কথাগুলো বলেছিলেন সইফ। বলেছিলেন, “আমি করিনার সঙ্গে কাজ করেছিলাম ‘ওমকারা’র মতো ছবিতে। কিন্তু কোনওদিনও কথা বলিনি একে-অপরের সঙ্গে। ‘টশন’ছবিতে অভিনয় করার সময় প্রথম অনেক কথা বলি আমরা। তখনই কাছাকাছি আসি এবং আমাদের প্রেমও হয়। পরবর্তীতে বিয়েটাও করি।”
সইফ আলি খানের বর্তমান বয়স ৫১ বছর। চার সন্তানের পিতা তিনি। তিন ছেলে এবং এক মেয়ে। ১৯৯১ সালে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে বিয়ে করেন সইফ। সেই বিয়ে ভেঙে যায় ২০০৪ সালে। সেই বিয়ে থেকে জন্ম হয় সইফ-অমৃতার মেয়ে অভিনেত্রী সারা আলি খান এবং পুত্র ইব্রাহিম আলি খানের। ২০১২ সালে নিজের চেয়ে ১০ বছরের ছোট করিনাকে বিয়ে করেন সইফ। তাঁদের দুই পুত্র তৈমুর আলি খান এবং জেহাঙ্গির আলি খান। প্রথম বিয়ে ভাঙে তো কী! করিনার সঙ্গেই সুখে সংসার করছেন সইফ। তাঁরা একে-অপরকে নিয়ে দারুণ খুশি। বলিউডের ছোটে নবাব (নবাব পরিবারের পুত্র সইফ) সইফ আলি খানকে স্বামী হিসেবে পেয়ে করিনা নিজেকে ধন্য মনে করেন। সেই কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজের মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন করিনা।
