AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Firhad Hakim: ফিরহাদকে দেখেই ‘মেয়র সাহেব’ বলে ডেকে বসালেন শুভেন্দু, চা খাওয়ার অনুরোধ, আর কী কী হল নবান্নে

Mamata Banerjee-Firhad Hakim: কালীঘাটের বাড়িতে না গিয়ে নবান্ন থেকে কেন সরাসরি কলকাতা পুরনিগমে চলে গেলেন ফিরহাদ হাকিম, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্রের খবর। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনও করেন ফিরহাদ হাকিমকে। ফিরহাদ হাকিম কেন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Firhad Hakim: ফিরহাদকে দেখেই 'মেয়র সাহেব' বলে ডেকে বসালেন শুভেন্দু, চা খাওয়ার অনুরোধ, আর কী কী হল নবান্নে
শুভেন্দু-ফিরহাদImage Credit: AI Generated Image
| Edited By: | Updated on: Jun 03, 2026 | 11:50 PM
Share

কলকাতা: বিগত এক মাসে বাংলার রাজনৈতিক ছবিটা যে পুরোপুরি বদলে গিয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রতি মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে যা যা ঘটছে, তা চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। এই আবহেই শিরোনামে ফিরহাদ হাকিম। একদিকে, তাঁর পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা, অন্যদিকে নবান্নের বৈঠকে বুধবার কী হয়েছে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। ফিরহাদের কাজে নাকি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে, এমনটাও শোনা যাচ্ছে।

পদত্যাগ করেননি ফিরহাদ

বুধবার বিকেলে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমে জানান, মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ। কিন্তু ফিরহাদ সেই খবর অস্বীকার করেছেন বলেই জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, দিনকয়েকের মধ্যে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি, তবে এখনও পদত্যাগ করেননি। এদিকে, বুধবারই নবান্নের বৈঠকে হাজির হন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করেন বলেও সূত্রের খবর।

ঠিক কী হল এদিন নবান্নে?

সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ উপেক্ষা করেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে এদিন যোগ দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানে ফিরহাদকে ‘মেয়র সাহেব’ বলে সম্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী বিধায়কদের আসন থেকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রীদের পাশে বসার ব্যবস্থা করে দেন মহানাগরিককে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ একাধিক মন্ত্রী এদিন ফিরহাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন।

বুধবারের প্রশাসনিক বৈঠকে ফিরহাদকে বক্তৃতা করার সুযোগও দেন শুভেন্দু। সেখানে ফিরহাদ বলেন, হাওড়ায় গঙ্গার তলায় একটি টানেল ও মেট্রোপলিটন-নিউটাউন ফ্লাইওভার তৈরির স্বপ্ন ছিল তাঁর। শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে সেগুলি ‘নোট’ করতে বলেন।

যদিও শহরের বেআইনি নির্মাণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে আরও সতর্ক থাকার কথা বলেছেন তিনি। যে নির্মাণগুলি নিয়ে ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলি ‘রেগুলারাইজড’ করতেও বলেছেন বলে বৈঠক সূত্রে দাবি। নিউটাউন নিয়ে ফিরহাদের চিন্তা-ভাবনা কী ছিল বা আছে, সেগুলোও মন দিয়ে শুনেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কালীঘাটে গেলেন না ববি

সূত্রের দাবি, বৈঠকের পর আলাদাভাবে ফিরহাদকে চা খাওয়ার অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও, কাজ থাকায় সেখান থেকে বেরিয়ে যান ববি। সোজা চলে যান কলকাতা পুরনিগমে।

কালীঘাটের বাড়িতে না গিয়ে নবান্ন থেকে কেন সরাসরি কলকাতা পুরনিগমে চলে গেলেন ফিরহাদ হাকিম, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্রের খবর। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনও করেন ফিরহাদ হাকিমকে। ফিরহাদ হাকিম কেন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, কলকাতা, হাওড়া আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠকে এদিন তৃণমূলের ২৮ বিধায়ক হাজির ছিলেন। তার মধ্যে আদি তৃণমূল হিসেবে ফিরহাদ ছাড়াও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষও উপস্থিত ছিলেন।

Follow Us