সব ঠিক থাকলে হৃত্বিকের ভায়রা ভাই হতেন ববি দেওল, জানেন কেন শেষমেশ ঘেঁটে গেল?
সেই সূত্রে ববি দেওলের সঙ্গে ফারহার প্রেম যদি পরিণতি পেত, তবে সম্পর্কে ববি হতেন হৃতিক রোশনের ভায়রা ভাই! কিন্তু কেন শেষমেশ ভেস্তে গেল সেই সম্পর্ক? কেনই বা জড়িয়ে পড়ল অভিনেত্রী নীলম কোঠারির নাম? দীর্ঘ বছর পর এই সমস্ত গুঞ্জন নিয়ে এবার নিজেই নীরবতা ভাঙলেন ফারহা খান আলি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফারহা তাঁর কিশোর বয়সের প্রেম, ববি দেওলের সঙ্গে বর্তমান সমীকরণ এবং বোন সুজানের ডিভোর্স অ্যালিমনি নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক ও সত্য তথ্য সামনে এনেছেন।

নব্বইয়ের দশকের বলিউড মানেই যেমন ছিল রুপোলী পর্দার রোম্যান্স, তেমনই ছিল তারকাদের বাস্তব জীবনের নানা অজানা সম্পর্কের সমীকরণ। বলিপাড়ার তেমনই এক বহুল চর্চিত গুঞ্জন ছিল অভিনেতা ববি দেওল এবং খ্যাতনামা জুয়েলারি ডিজাইনার ফারহা খান আলির প্রেম। সম্পর্কের খতিয়ান মেলালে দেখা যাবে, ফারহা খান আলি হলেন হৃত্বিক রোশনের প্রাক্তন স্ত্রী সুজান খানের দিদি। সেই সূত্রে ববি দেওলের সঙ্গে ফারহার প্রেম যদি পরিণতি পেত, তবে সম্পর্কে ববি হতেন হৃতিক রোশনের ভায়রা ভাই! কিন্তু কেন শেষমেশ ভেস্তে গেল সেই সম্পর্ক? কেনই বা জড়িয়ে পড়ল অভিনেত্রী নীলম কোঠারির নাম? দীর্ঘ বছর পর এই সমস্ত গুঞ্জন নিয়ে এবার নিজেই নীরবতা ভাঙলেন ফারহা খান আলি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফারহা তাঁর কিশোর বয়সের প্রেম, ববি দেওলের সঙ্গে বর্তমান সমীকরণ এবং বোন সুজানের ডিভোর্স অ্যালিমনি নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক ও সত্য তথ্য সামনে এনেছেন।
সাক্ষাৎকারে অতীত হাতড়ে ফারহা বলেন, “আমরা একে অপরের ‘চাইল্ডহুড সুইটহার্ট’ ছিলাম। ববির ওপর আমার মারাত্মক ক্রাশ ছিল, ব্যস ওইটুকুই। এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। আমরা বড়জোর হাত ধরতাম, একে অপরকে প্রেমপত্র লিখতাম। কিন্তু আজকের জমানার মতো ‘ডেটিং’ বলতে যা বোঝায়, তা আমাদের মধ্যে ছিল না। তখন আমার বয়স ছিল ১৬ আর ববির ১৭। প্রায় ৪০ বছর আগের কথা, তখন জীবনটা অনেক অন্যরকম ছিল। আজকের যুগের ১৬-১৭ বছরের ছেলেমেয়েদের মতো আমাদের সম্পর্ক অতটা পরিণত ছিল না।” ফারহা আরও স্পষ্ট করেন যে, অতীত অতীতই। আজ চার দশক পরেও ববি দেওল এবং তাঁর স্ত্রী তানিয়ার সঙ্গে ফারহার সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর এবং তাঁরা ফারহার সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের তালিকায় পড়েন।
নীলম কোঠারির কারণেই কি বিচ্ছেদ? নব্বইয়ের দশকে জোর গুঞ্জন ছিল যে, অভিনেত্রী নীলম কোঠারির এন্ট্রির কারণেই নাকি ববি ও ফারহার সম্পর্ক ভেঙে যায়। এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ফারহা বলেন, “নীলমও আমার খুব ভালো বন্ধু, আমাদের মধ্যে কখনও কোনও তিক্ততা ছিল না। ববির সঙ্গে আমার কৈশোরের সেই মিষ্টি সম্পর্কটি যখন স্বাভাবিক নিয়মেই শেষ হয়ে যায়, তার বেশ কিছু সময় পর নীলম ববির জীবনে এসেছিল।” উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে ববি দেওল এবং নীলম প্রায় ৫ বছর একটি সিরিয়াস সম্পর্কে ছিলেন, যদিও তা ছাদনাতলা পর্যন্ত পৌঁছয়নি।
