গায়ক রূপঙ্কর বাগচী সম্পর্কে কেন কোনওদিনও কোনও গুঞ্জন শোনা গেল না?
Rupankar Bagchi: স্ত্রী চৈতালি ছাড়া আর কোনওদিনও কোনও নারীর দিকে চোখ তুলে তাকাননি রূপঙ্কর বাগচী। বলেছেন, "শিল্পীদের ব্যাপারে ধারণা--তাঁরা খুবই ছন্নছাড়া এবং পাগলাটে টাইপের। আমি কিন্তু সেরকম এক্কেবারেই নই। আমি আসলে..."

২৭ বছরের গানের কেরিয়ার গায়ক রূপঙ্কর বাগচীর। ২৭ বছর ধরে নানা গান গেয়ে দর্শকে আনন্দ দিচ্ছেন এই শিল্পী। এই জার্নিটায় রূপঙ্কর যে মানুষটাকে শুরু থেকে পাশে পেয়েছেন তিনি হলেন তাঁর অর্ধাঙ্গিনী চৈতালি। করোনার সময় ২৫ বছরে পা দিয়েছিল রূপঙ্করের গানের কেরিয়ার। কিন্তু কোভিডের কারণে সবকিছু ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল বলে সেই উদযাপন একেবারেই করতে পারেননি রূপঙ্কর। ফলে সদ্য পালন করা হল তাঁর সেই মাইলফলকটি। রূপঙ্কের পাশে যথারীতি ছিলেন তাঁর স্ত্রী চৈতালি।
সম্পর্কের ক্ষেত্রে শিল্পীদের বিষয় কিছু ধারণা রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে–শিল্পীরা নাকি ছন্নছাড়া হন, তাঁদের মন এক জায়গায় থাকে না। কিন্তু সেই সমস্ত ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছেন রূপঙ্কর। তাঁর সম্পর্কে কোনও গুঞ্জন শোনা যায়নি কোনওকালেই। রূপঙ্কর চিরকালই ভীষণ একমুখী। তিনি তাঁর স্ত্রীকে নিয়েই আনন্দে সংসার করছেন। এক ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রূপঙ্কর বলেছেন, “কিন্তু এক্কেবারেই ছন্নছাড়া, পাগলাটে টাইপের মানুষ নই। আমি খুবই ফোকাসড। আমি সংসারী এবং আমার স্ত্রী সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল। আমি এক মুখী। আমার ব্যাপারে কোনও গুঞ্জন শুনতে পারবেন না মার্কেটে।”
এই কথাগুলো রূপঙ্কর বলছিলেন তাঁর স্ত্রীকে পাশে রেখেই। রূপঙ্করের স্ত্রীও তাঁর স্বামীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলেছেন, “একদমই। আমি খুবই লাকি। আমার স্বামী খুবই সংসারী এবং ঘরোয়া।” তাঁর কাজের পরিধি সম্পর্কে চৈতালি বলেছিলেন, “ও কিন্তু গান ছাড়াও আরও অনেক কিছুতে এক্সেল করতে পারে। সেটা হল, নাটক, অভিনয়।” রূপঙ্কর বললেন, “সে পারি, কিন্তু প্রাথমিকভাবে আমার কাছে গানটাই সব।”
