AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘হিরণের এমন রূপ দেখে ফেলছে যে মেয়ে…’, কোন কাহিনি শোনালেন স্ত্রী অনিন্দিতা?

২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর হিরণের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনিন্দিতা। তাঁদের রয়েছে একটি মেয়েও। যাঁর এখন বয়স ১৯। টিভি নাইন বাংলাকে অনিন্দিতা বলেন, আমাদের বিয়ের বয়স ২৫। ডিভোর্স হয়নি। মেয়ে ও আমার উপর খুব অত্য়াচার হয়েছে।কাউকে এটা বলিনি, কারণ মেয়েরও একটা কেরিয়ার রয়েছে। সেটা নষ্ট করতে চাইনি।

'হিরণের এমন রূপ দেখে ফেলছে যে মেয়ে...', কোন কাহিনি শোনালেন স্ত্রী অনিন্দিতা?
| Updated on: Jan 20, 2026 | 10:11 PM
Share

অনিন্দিতা ও হিরণের রয়েছে একটি মেয়ে নাইসা। যাঁর বয়স এখন ১৯। পড়াশুনো করছে নাইসা। স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত হলেও, মেয়ের সঙ্গে হিরণের সম্পর্ক বরাবরই মধুর। বরং বাবার সঙ্গে হৃতিকার ছবি দেখে এবং সম্পর্কের গুঞ্জন কানে আসার পর থেকেই নাইসা যেন গুটিয়ে গিয়েছিলেন।

হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতার কথায়, ”হিরণ যদি ১০ বার মেয়েকে ফোন করতেন তো, নাইসা ফোন ধরতেন একবার। দশবার দেখা করতে চাইলে, হয়তো একবার দেখা করত। ওর মনেও তো একটা দাগ লেগে গিয়েছে। আসলে বাবার এমন রূপ দেখে ফেলেছে যে কী করবে!হয়তো লজ্জায়, অভিমানে ওরকম করত।”

সংবাদ মাধ্যমে অনিন্দিতা বলেন, ”মেয়ের সঙ্গে তবুও কথা বলত, কিন্তু আমাকে নানা জায়গায় ব্লক করে রেখেছে হিরণ। মেয়েকে দেখতে বাড়িতে এলেও আমার সঙ্গে খুব একটা কথা হত না। অনেক আগে থেকেই এই মেয়েটার সঙ্গে হিরণের ছবি দেখতাম। মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ছিলাম।” সঙ্গে অবশ্য অনিন্দিতাও এও জানান, বাবা হিসেবে মেয়ের সব দায়িত্বই পালন করেন হিরণ।

২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর হিরণের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনিন্দিতা। তাঁদের রয়েছে একটি মেয়েও। যাঁর এখন বয়স ১৯। টিভি নাইন বাংলাকে অনিন্দিতা বলেন, আমাদের বিয়ের বয়স ২৫। ডিভোর্স হয়নি। মেয়ে ও আমার উপর খুব অত্য়াচার হয়েছে।কাউকে এটা বলিনি, কারণ মেয়েরও একটা কেরিয়ার রয়েছে। সেটা নষ্ট করতে চাইনি। এখন আর বলার কিছু নেই। সবাই তো সব কিছু দেখতেই পাচ্ছে। বলার কোনও ভাষা নেই। কতটা অভদ্র একটা লোক হতে পারে, আবার ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছিল। কোনওদিন তো মেয়ের একটাও ছবি পোস্ট করেনি! এর থেকে বোঝা যায়, কতটা খারাপ মানুষ হিরণ। হিন্দুমতে তো এরকমটা হয় না। আমরা তো মুসলিম নই। এই বিয়ের তো মূল্য নেই। খুবই যন্ত্রণাদায়ক।”