AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CPIM: মনোজ আগরওয়ালের দেখা পেলেন না সেলিমরা, CEO দফতরের বাইরে ‘রাত দখল’ বামেদের

SIR in Bengal: সিইও-কে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতেই হবে বলে দাবি জানিয়ে সেলিম বলেন, "আমাদের লড়াইটা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। দাবি সিইও-র কাছে। যতক্ষণ না সিইও দেখা করছেন, আমরা এখানে থাকব। এখান থেকে নড়ব না। অ্যাডজুডিকেশনে কেন নাম রাখা হয়েছে, সেটা জানাতে হবে। একজন বিচারপ্রার্থী জানবেন না, কেন তাঁর নাম অ্যাডজুডিকেশনে রাখা হয়েছে?"

CPIM: মনোজ আগরওয়ালের দেখা পেলেন না সেলিমরা, CEO দফতরের বাইরে 'রাত দখল' বামেদের
সিইও দেখা না করা পর্যন্ত তাঁরা দফতরের বাইরে থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 04, 2026 | 11:37 PM
Share

কলকাতা: এসআইআর-এ চক্রান্ত করে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে এবার রাজপথ দখল সিপিএমের। সোমবার টি বোর্ডের সামনে থেকে মিছিল করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর পর্যন্ত গেলেন বাম নেতা-কর্মীরা। কিন্তু, CEO মনোজ আগরওয়ালের দেখা পেলেন না মহম্মদ সেলিম, বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীরা। আর সিইও-র দেখা না পেয়েই হুঁশিয়ারি দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সিইও দফতরের বাইরে ‘রাত দখলের’ ডাক দিলেন। সিইও দেখা না করা পর্যন্ত এখানেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন।

এদিন টি বোর্ডের সামনে থেকে বামেদের মিছিলে হাঁটেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা। চক্রান্ত করে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না বলে তাঁরা দাবি জানান। সিইও দফতরের এসে সিইও মনোজ আগরওয়ালের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা জানান সেলিমরা। কিন্তু, সিইও তাঁদের সঙ্গে দেখা করেননি বলে অভিযোগ করে বাম নেতারা বলেন, অধস্তন অফিসারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলেন সিইও। কিন্তু, সেলিম স্পষ্ট করে দেন, তাঁরা স্মারকলিপি সিইও-কেই দেবেন।

এরপরই সিইও দফতরের সামনে রাত দখলেন ডাক দেন সেলিম। সারারাত বাম নেতা কর্মীরা রাস্তায় থাকবেন ঘোষণা করেন। তাঁর দাবি, মনোজ আগরওয়ালকে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতেই হবে। সেই দাবিতে সিইও দফতরের সামনের রাস্তা দখল করেন বাম নেতা-কর্মীরা।

Cpim Rally

মিছিল করে সিইও দফতরে যান বাম নেতারা

এরপরই পুলিশ রাস্তা খালি করার জন্য বাম নেতাদের অনুরোধ করেন। কিন্তু, নিজেদের দাবি অনড় থাকেন বাম নেতারা। অবশেষে বামেদের দাবি মানে পুলিশ। রাস্তা দখল করলেও একপাশ খালি রাখা হবে যান চলাচলের জন্য। এই নিয়ে সেলিম বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন তিনি শুধু প্রতিবাদ করবেন। আর কারও অধিকার নেই। আমরা এখানে এসেছি, কত পুলিশ এখানে লাগিয়ে দিয়েছে। পুলিশ এখানে দড়ি বেঁধে ব্যারিকেড করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় ধরনা দেবেন। আর এখানে যান চলাচলে অসুবিধা হবে বলে আমাদের সরতে বলছেন। আর নিজেরা প্রিজন ভ্যান আর বাঁশ রাস্তায় রেখে দেবেন, এটা চলতে পারে না। প্রিজন ভ্যান ও বাঁশ রাস্তা থেকে সরাতে বলেছি।”

সিইও-কে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতেই হবে বলে দাবি জানিয়ে সেলিম বলেন, “আমাদের লড়াইটা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। দাবি সিইও-র কাছে। যতক্ষণ না সিইও দেখা করছেন, আমরা এখানে থাকব। এখান থেকে নড়ব না। অ্যাডজুডিকেশনে কেন নাম রাখা হয়েছে, সেটা জানাতে হবে। একজন বিচারপ্রার্থী জানবেন না, কেন তাঁর নাম অ্যাডজুডিকেশনে রাখা হয়েছে?”