Hoi Hoi Korbo Bole: ভাইরাল ‘হই হই করব বলে’ গানের স্রষ্টাকে চেনেন? জানেন গানটি কীভাবে তৈরি হয়েছে?
who is the maker of Viral Song Hoi Hoi Korbo Bole: ইনস্টাগ্রামের রিলস হোক কিংবা ফেসবুকের স্টোরি, যেখানেই চোখ পড়ছে, সেখানেই যেন এই সুর বেজে চলেছে। কিন্তু এই তুমুল জনপ্রিয় গানটির স্রষ্টা কে? কীভাবে তৈরি হল এই ভাইরাল ট্র্যাক? সোশাল মিডিয়ায় যাঁকে সবাই জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘infra_rs’ বা রোহিত নামে চেনেন, সম্প্রতি এক ভিডিয়োবার্তায় তিনি নিজেই ফাঁস করেছেন এই গান তৈরির পেছনের সমস্ত অজানা গল্প।

আর মাত্র কদিন বাদেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই পুজোকে কেন্দ্র করে এখন সোশাল মিডিয়ার পাতা খুললেই একটা গান নিয়ে রীতিমতো ঝড় উঠেছে—‘হই হই করব বলে’। ইনস্টাগ্রামের রিলস হোক কিংবা ফেসবুকের স্টোরি, যেখানেই চোখ পড়ছে, সেখানেই যেন এই সুর বেজে চলেছে। কিন্তু এই তুমুল জনপ্রিয় গানটির স্রষ্টা কে? কীভাবে তৈরি হল এই ভাইরাল ট্র্যাক? সোশাল মিডিয়ায় যাঁকে সবাই জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘infra_rs’ বা রোহিত নামে চেনেন, সম্প্রতি এক ভিডিয়োবার্তায় তিনি নিজেই ফাঁস করেছেন এই গান তৈরির পেছনের সমস্ত অজানা গল্প।
রোহিতের কথায়, গানটি নিয়ে প্রথমে তাঁর নিজের মধ্যেই এক মজার সংশয় কাজ করেছিল। তিনি ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর মধ্যে যদি এই গানে মোটে দশ হাজার রিলও তৈরি হয়, তবে সেটাই অনেক। কারণ গানটি রিলিজের সময় ইনস্টাগ্রামে হাজারখানেক রিলও হয়নি। কিন্তু সেই সমস্ত হিসেবনিকেশ ও আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণিত করে গানটি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে ৫০ হাজারের গণ্ডি! অর্থাৎ, পঞ্চাশ হাজারবার মানুষ সক্রিয়ভাবে ভেবেছেন যে তাঁদের রিলসের ব্যাকগ্রাউন্ডে এই গানটিই বাজবে।
গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে রোহিত জানান, গানটির কথা লেখা, কম্পোজিশন এবং কণ্ঠদান—সবটাই তাঁর নিজের করা। তবে এর অ্যারেঞ্জমেন্ট, ইনস্ট্রুমেন্টেশন, মিক্সিং এবং মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন জাকির উদ্দিন খান (জাকিরদা)। গানটির নামকরণের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে তাঁর মায়ের। আর সবথেকে বড় কথা, এই পুরো গানটি তিনি উৎসর্গ করেছেন ও লিখেছেন তাঁর প্রেমিকাকে ঘিরেই!
সোশাল মিডিয়ায় সফল হওয়ার পথটা যে মোটেই সহজ ছিল না, সে কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন রোহিত। গত চার বছর ধরে নিয়মিত মিউজিক পাবলিশ করে চলেছেন তিনি। কিন্তু এই জার্নিটা যে বেশ কণ্টকাকীর্ণ ছিল, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। রোহিত জানান, গত বছর যখন এই গানটি নিয়ে কাজ শুরু হয়, তখন তাঁকে অজস্র অপমান ও ট্রোলের শিকার হতে হয়। এমনকি চলতি বছরেও এই গানের মেলডি বা সুর চুরি বা হাইজ্যাক করার প্রবণতা দেখা গিয়েছে।
তবে সমালোচকদের প্রতি কোনও ক্ষোভ নেই রোহিতের। তাঁর মতে, যারা ট্রোল করেছে বা যাদের গানটি ভালো লাগেনি, তারাও নিজের জায়গায় ঠিক আছে। দিনের শেষে সবার মন জয় করাই তাঁর কাজ। আর যাঁরা এই গানে অঢেল ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন, সেই সমস্ত অনুরাগীদের কমেন্ট পড়তে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদেও ফেলেছেন তিনি।
ভিডিয়োর শেষে নিজের নতুন কাজের ঝলক শুনিয়ে রোহিত আশাবাদী সুরে জানিয়েছেন, দুর্গামাতা আসছেন, তাঁর গান মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে। সমস্ত প্রতিকূলতা ও বাধা পেরিয়ে শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নেওয়াই তাঁর আসল প্রাপ্তি।
