Kiara Advani Postpartum Journey: চরম অবসাদে ভোগেন কিয়ারা! কীভাবে সামাল দেন সিদ্ধার্থ?
English Excerpt Key Phrase: Kiara Advani reveals how Sidharth Malhotra took her on night drives to cope with postpartum emotions after daughter Saraayah's birth: মা হওয়ার পর মানসিক অবসাদ ও লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন কিয়ারা আদভানি। মাঝরাতে কেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা তাঁকে লং ড্রাইভে নিয়ে যেতেন এবং সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রী কেন কেঁদে ফেলতেন, জানালেন সেই অজানা গল্প।

মা হওয়ার অনুভূতি যেমন আনন্দের, তেমনই এক কঠিন লড়াই। সেই লড়াইয়ের নাম ‘পোস্টপার্টাম’। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে নিজের জীবনের এমনই এক অজানা অধ্যায় সামনে আনলেন বলিউড সুন্দরী কিয়ারা আদভানি (Kiara Advani)। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে কন্যা সারায়ার জন্মের পর মানসিকভাবে কতটা বিধ্বস্ত ছিলেন তিনি, আর কীভাবে স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা (Sidharth Malhotra) ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গল্পই ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।
কিয়ারা জানান, মা হওয়ার পর হরমোনের পরিবর্তনের কারণে খুব ছোটখাটো বিষয়েই তাঁর চোখে জল চলে আসত। সেই সময় সিদ্ধার্থের ছবির প্রচার চলছিল। সারাদিন কাজ সেরে রাতে যখন সিদ্ধার্থ ফিরতেন, তখন কিয়ারা চাইতেন তাঁর মনের সব কথা উজার করে দিতে। অভিনেত্রী বলেন, “এমন একটা সময় গিয়েছিল যখন আমার আবেগগুলো সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। আমি শুধু মন হালকা করতে চাইতাম। আমি চাইতাম না কেউ আমায় উপদেশ দিক বা সমাধান দিক, শুধু কেউ আমার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুক, এটাই ছিল আমার বড় চাওয়া।”
সন্তান হওয়ার পর নতুন মায়েদের জীবন শুধু খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো আর ডায়পার বদলানোর একটা চক্রে আটকে যায়। কিয়ারার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। অভিনেত্রীর এই মানসিক অবস্থা দেখে তাঁদের মেয়ের শিশু বিশেষজ্ঞ (Pediatrician) সিদ্ধার্থকে একটি বিশেষ পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, কিয়ারাকে যেন রোজ রাতে নিয়ম করে লং ড্রাইভে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘরের চার দেওয়ালে বন্দি দমবন্ধ করা পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতেই এই দাওয়াই দিয়েছিলেন ডাক্তার। বাইরের মুক্ত বাতাস আর নিস্তব্ধ রাস্তা কিয়ারার মনের মেঘ কাটাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করেছিল।
সিদ্ধার্থকে ‘হ্যান্ডস-অন ফাদার’ হিসেবে দশে দশ দিয়েছেন কিয়ারা। সারাদিন শুটিং আর প্রচারের ক্লান্তি থাকলেও, রাতে কিয়ারা যখন তাঁর বাপের বাড়িতে থাকতেন, সেখানেও পৌঁছে যেতেন সিড। ভোরে আবার কাজে যাওয়ার আগে পর্যন্ত পুরো সময়টা স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে কাটাতেন। কিয়ারা বলেন, “ও নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছিল। বাবা হিসেবে ও যেমন সক্রিয়, স্বামী হিসেবেও ঠিক ততটাই সংবেদনশীল ছিল সেই সময়।”
গ্ল্যামার দুনিয়ার জাঁকজমকের আড়ালেও যে সাধারণ মানুষের মতোই অবসাদ আর একাকিত্ব থাকে, কিয়ারা তা অকপটে স্বীকার করে নিলেন। তাঁর এই স্বীকারোক্তি বর্তমান সময়ে অনেক নতুন মায়েদেরই সাহস জোগাবে।
