AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Aparajita Adhya: ‘নিমন্ত্রণ করতে হয় না, মানুষ এমনিই আসে’, লক্ষ্মীপুজো নিয়ে অকপট অপরাজিতা

Aparajita Adhya Lakshmi Puja: ১৯৮৯ সাল থেকে অপরাজিতা আঢ্যর শ্বশুরবাড়িতে মহাসমারোহে পালিত হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। লক্ষ্মীপুজোর চূড়ান্ত ব্যস্ততার মাঝেই টিভি৯ বাংলার মুখোমুখি অপরাজিতা আঢ্য। কেন এই পুজোয় কাউকে নিমন্ত্রণ করার প্রয়োজনই হয় না? মায়ের ভোগে এই বছর কী কী রয়েছে?

Aparajita Adhya: 'নিমন্ত্রণ করতে হয় না, মানুষ এমনিই আসে', লক্ষ্মীপুজো নিয়ে অকপট অপরাজিতা
মায়ের ভোগে কী কী রয়েছে?
| Updated on: Oct 25, 2026 | 4:36 PM
Share

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ। আর টলিউড অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর বাড়ির পুজোর উন্মাদনা একেবারে অন্য পর্যায়ের। ১৯৮৯ সাল থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে এই পুজো হয়। বিয়ের পর দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে এই আনন্দোৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন তিনি। পুজোর কাজের ফাঁকেই টিভি৯ বাংলার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী। ব্যস্ততার মাঝেই আড্ডার মেজাজে ভাগ করে নিলেন উৎসবের নানা অজানা কথা। এই বিশেষ দিনটিকে নিছকই আরাধনা নয়, বরং দেবীর জন্মদিন হিসেবেই পালন করা হয়। পাশাপাশি মহাসমারোহে এবং নিষ্ঠাভরে আয়োজন করা হয় সত্যনারায়ণ পুজোর। আশ্চর্যের বিষয় হল, এত বড় উৎসব হলেও আলাদা করে কাউকে নিমন্ত্রণ করার রীতি এই বাড়িতে নেই। মানুষের ঢল এমনিতেই নামে। অভিনেত্রীর কথায়, “লক্ষ্মীপুজোতে তেমন ভাবে কাউকে নিমন্ত্রণ করতে হয় না, মানুষ এমনিই আসে। মা লক্ষ্মী নিজেই নিজের পুজো এত বড় করে নিয়েছেন।”

প্রতি বছরই দেবীর সাজগোজে থাকে নতুনত্বের ছোঁয়া। থিম অনুযায়ী পাল্টে যায় মায়ের রূপ। তাই সব সময় যে চিরাচরিত সোনার গয়নাতেই দেবীকে সাজানো হবে, এমন কোনও ধরাবাঁধা নিয়ম নেই বলে জানান অভিনেত্রী। চলতি বছর যেমন পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অপূর্ব মিনা করা গয়নায় সেজে উঠেছেন দেবী। বাড়ির সর্বময় কর্ত্রী যেহেতু মা লক্ষ্মী স্বয়ং, তাই যে কোনও সিদ্ধান্তে সবার আগে তাঁরই অনুমতি নেন অভিনেত্রী।

উৎসবের আনন্দের মাঝেই চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন অপরাজিতা। বিশেষ করে চোরবাগানের ঘটনা এবং সমাজের বর্তমান অস্থিরতা তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। কোভিডের পর থেকে পৃথিবীর এই বদলে যাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “কোভিডের পর থেকেই পৃথিবীর ভয়ঙ্কর অবস্থা। মা ভীষণ অস্থির হয়ে আছেন, চাই সবার মধ্যে সহিষ্ণুতা আসুক।” লক্ষ্মীর কাছে সকলে সাধারণত ধনসম্পদ প্রার্থনা করলেও, সুস্থতা এবং সচেতনতাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পদ বলে মনে করেন অভিনেত্রী।

মায়ের ভোগে কী কী রয়েছে?

পুজোর ভোগের আয়োজনেও এলাহি ব্যাপার। দিনভর দর্শনার্থীদের জন্য প্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি, লাবড়া ও পায়েস আগে থেকেই প্রস্তুত। তবে দেবীর মূল নৈবেদ্য তৈরি হবে পুজোর ঠিক এক ঘণ্টা আগে। সেই বিশেষ ভোগে থাকবে লুচি এবং পাঁচ রকম ভাজা ও তরকারি। রাতে পরিবারের পুরোহিতমশাই নারায়ণ নিয়ে এসে এবং পুজো সম্পন্ন করবেন। ভালোবাসা ও আন্তরিকতার এক অপূর্ব মেলবন্ধনে প্রতি বছরের মত এই বছরও নজর কেড়েছে অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজো।

Follow Us