AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mithun Chakraborty: বেডরুমে বিবাহবাসর, পুরোহিতকে জোর ধমক, মাত্র ৩০ মিনিটেই যোগিতাকে বিয়ে করেন মিঠুন!

Mithun Chakraborty Love Story: এর আগে ১৯৭৬ সালে সুরকার ও গায়ক কিশোর কুমারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন যোগিতা, তবে ১৯৭৮ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে। পরবর্তীতে মিঠুনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব রূপ নেয় প্রেমে। কিন্তু তাঁদের প্রেমের পথটা একেবারেই সহজ ছিল না। যোগিতার মা এই সম্পর্ক বা বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিলেন না। ফলে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিল বিয়ের সিদ্ধান্ত।

Mithun Chakraborty: বেডরুমে বিবাহবাসর, পুরোহিতকে জোর ধমক, মাত্র ৩০ মিনিটেই যোগিতাকে বিয়ে করেন মিঠুন!
| Updated on: Sep 29, 2026 | 2:33 PM
Share

রুপোলি পর্দার ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ মিঠুন চক্রবর্তীর জীবনটা যেন কোনও এক হিট বলিউডি সিনেমার চিত্রনাট্য। একসময় ফুটপাথে রাত কাটানো থেকে শুরু করে বলিউডের স্বনামধন্য মহাতারকা হয়ে ওঠার গল্প তো অনেকেরই জানা, তবে তাঁর ব্যক্তিজীবনের প্রেমের গল্পটিও কিন্তু কম রোমাঞ্চকর নয়। অভিনেত্রী যোগিতা বালির সঙ্গে মিঠুনের প্রেম ও বিয়ের সেই নাটকীয় অধ্যায় যেন যে কোনও বলিউডি অ্যাকশন-ড্রামাকে টেক্কা দিতে পারে।

সাতের দশকের শেষের দিকে মিঠুন ও যোগিতা বালির মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। এর আগে ১৯৭৬ সালে সুরকার ও গায়ক কিশোর কুমারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন যোগিতা, তবে ১৯৭৮ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে। পরবর্তীতে মিঠুনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব রূপ নেয় প্রেমে। কিন্তু তাঁদের প্রেমের পথটা একেবারেই সহজ ছিল না। যোগিতার মা এই সম্পর্ক বা বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিলেন না। ফলে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিল বিয়ের সিদ্ধান্ত।

অবশেষে ধৈর্য হারিয়ে মিঠুন এক অভিনব ও চরম পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। একদিন সোজা যোগিতাকে বলে দেন, পরদিন সকাল ৯টার মধ্যে যেন তিনি মিঠুনের বাড়িতে পৌঁছে যান। তবে যোগিতা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি যে মিঠুন ইতিমধ্যে গোপনে বিয়ের সব আয়োজন সেরে রেখেছেন।

নিজের ছোট্ট বেডরুমেই পুরোহিত ডেকে এনে বিয়ের সমস্ত ব্যবস্থা প্রস্তুত করে রেখেছিলেন মিঠুন। তবে মহাতারকার দেওয়া সময়সীমা শুনে পুরোহিত মশাইও তাজ্জব বনে যান! মিঠুনের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—বিয়ে শেষ করতে হবে মাত্র আধ ঘণ্টার মধ্যে, এক মিনিটও বেশি সময় নেওয়া যাবে না। এমনকি পুরোহিতের হাতে টাকা দিয়ে মিঠুন রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সময় পেরিয়ে গেলে পরিস্থিতি মোটেই ভাল হবে না! স্বাভাবিকভাবেই ঘাবড়ে গিয়ে দ্রুত মন্ত্র পড়ে কাজ শেষ করার আশ্বাস দেন পুরোহিত।

পরদিন ঠিক সকাল ৯টায় মিঠুনের বাড়িতে উপস্থিত হন যোগিতা। ঘরে ঢুকে দেখেন বিয়ের মণ্ডপ তৈরি। আর কোনও কথা না বাড়িয়ে মিঠুন তাঁকে সোজা সাত পাকে ঘুরতে বলেন। পুরোহিতও তড়িঘড়ি আচার সম্পন্ন করেন। এক, দুই, তিন করে সাত পাক ঘোরা শেষ হতেই যোগিতার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন মিঠুন। পুরোহিত জানান, বিয়ে সম্পন্ন।

তবে নাটকীয়তার শেষ এখানেই ছিল না। বিয়ে সম্পন্ন হতেই পুরোহিতকে বিদায় জানিয়ে মিঠুন যোগিতাকে বলেন, তাঁদের তো বিয়ে হয়ে গেল! এবার যোগিতা যেন সোজা নিজের বাড়ি ফিরে যান এবং তাঁর মা-কে জানিয়ে দেন যে মিঠুন তাঁকে বিয়ে করে নিয়েছেন। ১৯৭৯ সালে এভাবেই ঘর বাঁধেন মিঠুন চক্রবর্তী ও যোগিতা বালি। সম্প্রতি ফারহা খানের ভ্লগেই জীবনের এই অধ্যায় মেলে ধরলেন মিঠুন।

Follow Us