ফ্রিতে মদ-খাবার খেতে অন্য অভিনেতার বাড়িতে নীনা গুপ্তা! জানেন সঙ্গে থাকতেন কোন অভিনেতা?
২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই স্পাই-থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি বর্তমানে বক্স অফিসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। লয়ারির আন্ডারওয়ার্ল্ডে লুকিয়ে থেকে কীভাবে একজন ভারতীয় চর সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংস করেন, সেই গল্পই ফুটে উঠেছে এখানে।

আজকের দিনে তাঁরা প্রত্যেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত, কিন্তু কেরিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে ডাল-ভাতের সংস্থান করতেও হিমশিম খেতে হত অনেককে। সম্প্রতি ফারহা খানের ইউটিউব ভ্লগে এসে সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন অভিনেতা রাকেশ বেদি। ফারহা জানান, তখন তাঁদের বাড়িতে প্রায়ই আড্ডা বসত ফারুক শেখ, সতীশ শাহ, নীনা গুপ্তা এবং সুপ্রিয়া পাঠকের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। তাঁদের মূল আকর্ষণ ছিল জাভেদ আখতারের বাড়ির সুস্বাদু খাবার আর পানীয়।
ভ্লগে রাকেশ বেদিকে ‘ধুরন্ধর’-এর আসল হিরো বলে স্বাগত জানান ফারহা। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “আমাদের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। তখন আমার বয়স মাত্র ১৫, আর রাকেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (FTII)-তে পড়তেন। তাঁরা সবাই মিলে আমাদের বাড়িতে আসতেন ফ্রিতে ডিনার আর ড্রিঙ্কস এনজয় করতে। অনেকদিন পর ওর সঙ্গে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগছে।”
বর্তমানে রাকেশ বেদি তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা সময় উপভোগ করছেন। রণবীর সিং অভিনীত ব্লকবাস্টার ছবি ‘ধুরন্ধর’ এবং এর সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এ ‘জামিল জামালি’-র চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। প্রথম কিস্তিতে তাঁকে সারা অর্জুনের বাবার চরিত্রে দেখা গেলেও, দ্বিতীয় ভাগে গল্পে এক অভাবনীয় মোড় আসে। জানা যায়, তিনি আসলে পাকিস্তানের গভীরে লুকিয়ে থাকা একজন ভারতীয় চর। তাঁর এই চরিত্রটি দর্শকদের চমকে দিয়েছে।
২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই স্পাই-থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি বর্তমানে বক্স অফিসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। লয়ারির আন্ডারওয়ার্ল্ডে লুকিয়ে থেকে কীভাবে একজন ভারতীয় চর সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংস করেন, সেই গল্পই ফুটে উঠেছে এখানে। রণবীর সিংয়ের চরিত্র হামজা আলি মাজারি ওরফে জসকিরত সিং রাঙ্গির অতীত এবং বর্তমানের লড়াই এই ছবিকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও যে পুরনো দিনের সেই লড়াই আর জাভেদ আখতারের বাড়ির ডাল-রুটির স্বাদ ভোলেননি রাকেশ বেদি, ফারহার ভ্লগে তাঁর স্বীকারোক্তি যেন সেই সহজ-সরল বন্ধুত্বের কথাই মনে করিয়ে দিল।
