AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছি, তাকেই বন্ধু ভাবতে পারব না: রণজয়

Ranojoy Bishnu: প্রেম দিবস অতীত, জেন-জি আর জিলেনিয়ানরা মজা করে বলে, ব্রেকআপ ফেজের শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বছর খানেক হল প্রেম ভেঙেছে রণজয় বিষ্ণুর। অনেকেই বলছেন তিনি নাকি এ যুগের দেবদাস? আর তিনি? তিনি কী বলছেন?

যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছি, তাকেই বন্ধু ভাবতে পারব না: রণজয়
| Updated on: Feb 17, 2024 | 3:10 PM
Share

‘আমি দেবদাস নই’ 

‘তাই নাকি’? কথাটা শুনেই আঁতকে ওঠেন তিনি। বিচ্ছেদের পর লোকজন তাঁকে নতুন নাম দিয়েছে! টলিপাড়ার ‘দেবদাস’। এও নাকি বলছে, প্রাক্তনের প্রতি অনুরাগ আজও অটুট! এই কথা শোনার পরেই টিভিনাইন বাংলার কাছে বিস্মিত রণজয়। বললেন, “আমি দেবদাস পল্লীতে থাকি ঠিকই, প্রথম যে মিউজিকাল থিয়েটার করেছি তার নামও দেবদাস! কিন্তু তাই বলে নিজে দেবদাস হয়ে যাব, এমনটা আমি মোটেও নই। একেবারেই নই। আমি মোটেও ধ্বংসাত্মক নই। আমি আমার জীবনকে খুব ভালবাসি। আমার কাঁধে এতগুলো মানুষের দায়িত্ব, আমি একটা পরিবারের মাথা। তাই আমি একেবারেই দেবদাস হয়ে জীবনটাকে শেষ করতে চাই না। জীবনটাকে যে বড্ড ভালবাসি আমি।”

‘গড্ডালিকা প্রবাহ? নৈব নৈব চ’ 

রণজয় বিষ্ণু, বাংলা ইন্ডাস্ট্রির চেনা মুখ। এই মাস কয়েক আগেও তাঁকে পরিচয় করানোর ক্ষেত্রে টলিপাড়ার নামজাদাদেরও বলতে শোনা গিয়েছে ‘সোহিনী সরকারের বয়ফ্রেন্ড’। যদিও সময়ের সঙ্গে বদলেছে সব। আজ তিনি শুধুই রণজয়। তাঁর এত বছরের প্রেম, তাতে বিচ্ছেদ নিয়ে এখনও আলোচনা হয় না, তা নয়! তবে আলাদা করে নিজের পরিচয় যেন হঠাৎ করেই খুঁজে পেয়েছেন এই অভিনেতা। বাংলা ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রেও এখন তার অনায়াস যাতায়াত। বিগত বেশ কিছু সময় ধরেই ইনস্টাগ্রাম জানিয়ে দিয়েছে, তাঁর প্রাক্তন এখন ‘অন্য কারও সঙ্গে বেঁধেছেন ঘর’। এই প্রেমদিবসেও নতুন প্রেমিকটির সঙ্গে তিনি পাড়ি দিয়েছেন সাত সমুদ্র তেরো নদীর দেশে। ওদিকে রণজয়ের দাবি মেনে তিনি আজ সিঙ্গল। মাঝে অবশ্য মিশমি রায়কে নিয়ে গরম গসিপ রটলেও তা এখন ফিকে। প্রেমের মাসে পাশে কেউ নেই। খারাপ লাগছে? সামাজিক মাধ্যমে নিজের একা ছবি দিতে কোথাও কি কাজ করছে একাকীত্ব? বেশ খানিক জোরেই রণজয় বললেন, ” নানা, না, না, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করতেই হবে এই ক্রেভিংটা আমার নেই। জীবন এইভাবে চলে বলে আমি মনেও করি না। কারণ গড্ডালিকা প্রবাহে জীবন ভাসাতে আমি পছন্দ করি না। ভাসাইনি কোনওদিনই, এ কথা বললে মিথ্যে বলা হবে! কিন্তু যখন বোধ তৈরি হল তখন বুঝতে শিখেছি কী আমি পছন্দ করি, আর কী আমি করি না। একটা সময় বন্ধুদের সঙ্গে ডিস্কে গিয়েও নেচেছি, কিন্তু চার পাঁচ মাস যাওয়ার পর আমি বুঝতে পারি ওটি আমার জন্য না। তার মানে এটা নয় যে যারা যান তাঁরা খারাপ। আমার পছন্দ নয়।”

‘কী যায় আসে!’ 

কিছু দিন আগে ইনস্টাগ্রামে নিজের লেখা এক কবিতা পোস্ট করেছিলেন তিনি। বেশ দুঃখে ভরা কবিতা। নানা জায়গায় বার হয় কষ্টে বুক ফেটে সাহারা, রণজয়ের। আর এতেই খানিক আপত্তি রয়েছে রণজয়ের। বললেন, “আজ আমি লিখব, স্নান টান করে মাথায় তেল দিয়ে বসে পড়লাম– এভাবে তো হয় না। লেখা আসে। ঠিক আমারও এসেছিল। সবসময় যে পোস্ট করি তা নয়। তবে সেদিন করেছিলাম। কিন্তু কাউকে উদ্দেশ্য করে কিন্তু ওই কবিতা ছিল না। যদি ভিতরে আমি সত্যি কাউকে ভালবাসি তা লোককে জানানোর কী দরকার? সেই মানুষটা ওই মুহূর্তে আপনার সঙ্গে আছে, নাকি কোথাও গিয়েছে? তাতে কী যায় আসে?”

‘না, প্রাক্তন বন্ধু হয় না’ 

সে না হয় হল, তবে হালফিলের ট্রেন্ড বলছে, ‘এক্স কে বন্ধু বানিয়ে নাও’। সে রণবীর কাপুরই হন, অথবা আলিয়া ভাট থেকে দীপিকা। শুধু কি তাই? টলিউডের তথাগত মুখোপাধ্যায় বা দেবলীনা দত্তকে দেখুন। তাঁরাও কিন্তু আজ ভাল বন্ধু। ওদিকে রণজয়ের সঙ্গে নাকি তাঁর সুন্দরী প্রাক্তনের আজ আর কোনও যোগাযোগই নেই। কেন? বলছিলেন, “আমি একদমই বিশ্বাস করি না, প্রাক্তন বন্ধু হতে পারে। এরকম আমি অন্তত ফেস করিনি। প্রাক্তনের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছি, তাঁকে আবারও বন্ধু হিসেবে দেখা এতটা উদার হয়তো আমি এখনও হয়ে উঠতে পারিনি। আমার কাছে এটা অযৌক্তিক মনে হয়।” আর সেই প্রাক্তনের ছবি যখন ‘পপ-আপ’ করে মুঠোফোনে? উত্তর, “দেখে স্ক্রল করে চলে যাই, এখানে তো কিছু করার নেই। কাউকে যদি জীবনে ভালবাসি, সে আজ না থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে গিয়ে খুনোখুনি মারামারি করব? যে যেখানেই থাকুন, যার সঙ্গে থাকুক, যেন ভাল থাকে।ব্যস, এটাই চাওয়া। ”

Follow Us