‘পিরিয়ড শেষ হলে ব্রণ কমে যায় দাদা’, কড়া জবাব দিলেন ইমন
ইমন যোগ করেন, ''আমি খুব সাধারণ বাড়ির মেয়ে। কিন্তু আমার বাবা-মা সাধারণ ছিলেন না। তাঁদের শিক্ষাতেই আমি জানি, পিরিয়ড নিয়ে কথা বললে কোনও অসুবিধা নেই। তাই বলছি, আমার পিরিয়ড হলে, তখন ত্বক তৈলাক্ত হয়ে গিয়ে এরকম ব্রণ হয়। পিরিয়ড শেষ হলে, ব্রণ ঠিক হয়ে যায় দাদা।''

সম্প্রতি মায়ের মৃত্যুদিনে সোশ্যাল মিডিয়াতে অদ্ভুত কিছু মন্তব্য আসার পর সমাজ মাধ্যম থেকে দূরে রয়েছেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। সেই ঘোষণা তিনি যখন করছিলেন, তখন একজন মন্তব্য করেন, ”আপনি সেলিব্রিটি, গালে কেন ব্রণ”?
TV9 বাংলার সাক্ষাত্কারে কড়া জবাবে ইমন বললেন, ”আমার একটা ক্রনিক রোগ আছে, যার নাম এন্ডোমেট্রিওসিস। ওভারির উপর একটা আস্তরণ আছে। শুধু আমার নয়, বিশ্বজুড়ে ৬০ শতাংশ মহিলার এই সমস্যাটা রয়েছে। যখন পিরিয়ড হয়, অসম্ভব যন্ত্রণা হয়। আর পিরিয়ড আসার আগে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায় দাদা। আপনার বাড়িতে মা-বোন থাকলে জিজ্ঞাসা করবেন, ‘কেন এত কষ্ট হচ্ছে, কেন এতটা মনখারাপ’! এভাবে সবাইকে এক তালিকায় ফেলে দেবেন না। নারী হিসাবে নয়, একটা ছেলেকে লম্বা হতে হবে, ছেলেদের মেয়েদের তুলনায় বেশি রোজগার করতে হবে, মেয়েদের শান্ত হতে হবে, এটা কেন?”
ইমন যোগ করেন, ”আমি খুব সাধারণ বাড়ির মেয়ে। কিন্তু আমার বাবা-মা সাধারণ ছিলেন না। তাঁদের শিক্ষাতেই আমি জানি, পিরিয়ড নিয়ে কথা বললে কোনও অসুবিধা নেই। তাই বলছি, আমার পিরিয়ড হলে, তখন ত্বক তৈলাক্ত হয়ে গিয়ে এরকম ব্রণ হয়। পিরিয়ড শেষ হলে, ব্রণ ঠিক হয়ে যায় দাদা।”
লক্ষণীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রিটি ব্যাশিং ইদানীং বাড়ছে। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারকে আক্রমণ করা হয়েছে। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের শরীরের গড়ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাশিংয়ের পর তিনি সাইবার সেলে অভিযোগ করেছেন। ইমন চক্রবর্তীও তাঁর প্রতি ধেয়ে আসা নোংরা কিছু মন্তব্য নিয়ে সাইবার সেলে অভিযোগ জানিয়েছেন।
