মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললে সুনিধি, কী ঘটল হঠাৎ?
চলতি ‘আই অ্যাম হোম’ ট্যুরের অংশ হিসেবে লখনউতে পারফর্ম করতে উঠেছিলেন সুনিধি। কয়েকটা গান গাওয়ার পরেই বোঝা যায়, তাঁর কণ্ঠ স্বাভাবিক ছন্দে নেই। আবেগতাড়িত হয়ে সুনিধি বলেন, "আমার গলার অবস্থা আজ সত্যিই খুব খারাপ। হে ঈশ্বর, আগে আমার সঙ্গে এমনটা কখনও ঘটেনি। খুব অস্বস্তি হচ্ছে আমার।

সুনিধি চৌহান মানেই মঞ্চে এক আগ্নেয়গিরির মতো তেজ। কিন্তু শনিবার লখনউয়ের সন্ধ্যা দেখল এক অন্য সুনিধিকে। গান গাইতে গাইতে হঠাৎই গলা ধরে এল তাঁর, চোখ ফেটে বেরিয়ে এল জল। কেরিয়ারের দীর্ঘ কয়েক দশকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন গায়িকাকে আগে কখনও হতে দেখেননি কেউ। ভগ্ন কণ্ঠে দর্শকদের কাছে বারবার ক্ষমা চাইতে দেখা গেল বলিউডের এই দাপুটে গায়িকাকে।
চলতি ‘আই অ্যাম হোম’ ট্যুরের অংশ হিসেবে লখনউতে পারফর্ম করতে উঠেছিলেন সুনিধি। কয়েকটা গান গাওয়ার পরেই বোঝা যায়, তাঁর কণ্ঠ স্বাভাবিক ছন্দে নেই। আবেগতাড়িত হয়ে সুনিধি বলেন, “আমার গলার অবস্থা আজ সত্যিই খুব খারাপ। হে ঈশ্বর, আগে আমার সঙ্গে এমনটা কখনও ঘটেনি। খুব অস্বস্তি হচ্ছে আমার। আমি যখনই গান গাই, নিজের একশো শতাংশ উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করি। আজ হয়তো তা পারছি না।” বলতে বলতেই কান্নায় রুদ্ধ হয়ে আসে তাঁর গলা।
সুনিধি জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর কণ্ঠের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তবুও শ্রোতাদের ভালোবাসার টানে তিনি অনুষ্ঠান বাতিল করেননি। দর্শকদের উদ্দেশ্যে তাঁর কাতর আর্জি, “আপনারা আমার সঙ্গে আছেন জানি, তাই আমি গেয়ে যেতে চাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আজ গান তেমন ভালো হবে না। দয়া করে আমায় ক্ষমা করে দিন।” গায়িকার এমন অসহায়তা দেখে লখনউয়ের দর্শক তাঁকে করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান, যেন তাঁরা সুনিধিকে বলতে চাইলেন— গান যেমনই হোক, তাঁরা পাশে আছেন।
গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর মুম্বই থেকে শুরু হওয়া সুনিধির এই ‘আই অ্যাম হোম’ মিউজিক ট্যুর ইতিমধ্যেই দিল্লি, বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ-সহ দেশের একাধিক শহর ঘুরেছে। লখনউয়ের এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই গায়িকার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত তাঁর অনুরাগীরা। তবে ক্যালেন্ডার বলছে, আগামী শনিবার অর্থাৎ ১৪ মার্চ কলকাতায় সুনিধির মেগা কনসার্ট।
তিলোত্তমার দর্শকরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তাঁদের প্রিয় সুনিধি কি সুস্থ হয়ে ফের সেই চেনা দাপটে মঞ্চ কাঁপাতে পারবেন? এখন সেটাই দেখার।
