বিচ্ছেদ বিতর্ক ও তৃষার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা: অবশেষে মুখ খুললেন থালাপথি বিজয়
সম্প্রতি একটি নারী দিবসের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজয়। সেখানেই নিজের পারিবারিক অশান্তি ও গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমার সাম্প্রতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আপনারা একদম চিন্তা করবেন না। ওই বিষয়গুলো আপনাদের সময় নষ্ট করার মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি নিজেই সব সামলে নেব। আপনারা যখন আমার কারণে মন খারাপ করেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন, সেটাই আমাকে সবথেকে বেশি কষ্ট দেয়।"

তামিল সুপারস্টার থালাপথি বিজয় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণলিঙ্গমের দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে। বিচ্ছেদ মামলা থেকে শুরু করে অভিনেত্রী তৃষার সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন- সব মিলিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সরগরম দক্ষিণি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। এতদিন চুপ থাকলেও অবশেষে এই বিতর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন অভিনেতা। সাফ জানিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের এই ঝড় তিনি নিজেই সামলে নেবেন।
সম্প্রতি একটি নারী দিবসের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজয়। সেখানেই নিজের পারিবারিক অশান্তি ও গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার সাম্প্রতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আপনারা একদম চিন্তা করবেন না। ওই বিষয়গুলো আপনাদের সময় নষ্ট করার মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি নিজেই সব সামলে নেব। আপনারা যখন আমার কারণে মন খারাপ করেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন, সেটাই আমাকে সবথেকে বেশি কষ্ট দেয়।”
বিজয়ের এই আশ্বাসের মধ্যেই আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। বিজয়ের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সঙ্গীতা। তাঁর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই জনৈক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বিজয় সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেননি। বর্তমানে লন্ডনের নাগরিক সঙ্গীতা তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, ভারতে তাঁর নিজের কোনও ঘর নেই। তাই খোরপোশের পাশাপাশি বৈবাহিক বাড়িতে থাকার অধিকার অথবা বিকল্প বাসস্থানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়ো বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, বিজয়ের প্রোডাকশন হাউস ‘কালপাথি’ এর একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তৃষার সঙ্গে হাজির হয়েছেন অভিনেতা। গাড়ি থেকে নামার পর তৃষাকে অনুসরণ করে বিয়ের মণ্ডপে ঢুকতে দেখা যায় অভিনেতাকে। আইনি লড়াইয়ের মাঝেই তৃষার সঙ্গে এইভাবে জনসমক্ষে আসায় ভক্তদের একটি বড় অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শোনা যাচ্ছে, বাবার ওপর অভিমান করে সমাজমাধ্যমে বিজয়কে ‘আনফলো’ করেছেন তাঁর ছেলে জেসন সঞ্জয়ও।
১৯৯৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বিজয় ও সঙ্গীতা। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্ক কেন এভাবে ভেঙে গেল, তা নিয়ে যেমন জল্পনা চলছে, তেমনই বিজয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য ভক্তদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। তবে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী হয়, সেই উত্তর সময় বলবে।
