AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

পিরিয়ড নিয়েই উদ্দাম রোম্যান্স, বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রবিনা

Bollywood Gossip: অক্ষয় কুমারের সঙ্গে রোম্যান্টিক ডান্সে ঝড় তুলেছিলেন রবিনা টন্ডন। সকলের নজরের কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছিলেন। রবিনার সঙ্গে অক্ষয়ের সম্পর্ক নিয়ে তো জল্পনা ছিল বহুদূর।

পিরিয়ড নিয়েই উদ্দাম রোম্যান্স, বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রবিনা
| Updated on: Jun 12, 2024 | 2:37 PM
Share

কথায় বলে পর্দার সামনে যা দেখা যায়, তার উল্টো ছবি হল বাস্তব। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করে এক একটি কাজ করে থাকেন সেলেবরা, তার আঁচও পান না দর্শকেরা। সে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে সিফন শাড়ি পরে রোম্যান্স হোক, কিংবা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে নাচ। এমনই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিনেত্রী রবিনা টন্ডনকে। তাঁর কেরিয়ারে সব থেকে জনপ্রিয় কোনও কাজ যদি উল্লেখ করতে হয়, নিঃসন্দেহে তা টিপ টিপ বরসা পানি। এই গানে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে রোম্যান্টিক ডান্সে ঝড় তুলেছিলেন রবিনা টন্ডন। সকলের নজরের কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছিলেন। রবিনার সঙ্গে অক্ষয়ের সম্পর্ক নিয়ে তো জল্পনা ছিল বহুদূর।

তবে এই গান জুটির তরফ থেকে সেরা উপহার হয়েই থেকে গিয়েছে। ৯০ দশকে শুটিং করা এত সহজ ছিল না। ছিল না কোনও ভ্যানিটি ভ্যানও। নায়িকার জন্য ছাতা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্যও কাউকে নিয়োগ করা হত না। হাজারও প্রতিকূলতার মধ্যেই শুটিং করতে হত নায়িকাদের। পোশাক পরিবর্তনের জন্য আলাদা জায়গা! সাল ১৯৯৪ মুক্তি পেয়েছিল ‘মোহরা’। ওই সিনেমারই সেই আইকনিক গান। হলুদ শাড়ি পরে বৃষ্টিতে ভিজে রবিনা গাইছেন, ‘টিপ টিপ বরসা পানি’। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন অক্ষয় কুমার। তবে জানেন কি এই গানে যখন জমিয়ে রোম্যান্স থেকে নাচে মত্ত জুটি, ঠিক তখন রবিনা টন্ডনের কী অবস্থা ঘটেছিল? তিনি তখন ঋতুমতী। তার যন্ত্রণা তো ছিলই, সঙ্গে পেরেক ঢুকে যায় তাঁর পায়ে।

যে বাড়িতে শুট হয়েছিল, তা একটি নির্মিয়মান বাড়ি ছিল। যার ফলে যত্রতত্র পেরেক পড়েছিল। বিভিন্নভাবে সুরক্ষাকবচও রক্ষা করতে পারেনি অভিনেত্রীকে। পেরেক ঢুকে যায় পায়ে। তার জন্য ইঞ্জেকশনও নিতে হয় তাঁকে। রবিনা একবার জানিয়েছিলেন, “শুধু টিটেনাস ইঞ্জেকশনই নয়, দু’দিন পর আমার জ্বরও চলে আসে। অত বৃষ্টির মধ্যে শুটিং করে নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারিনি। কিন্তু ‘শো মাস্ট গো অন’। অনস্ক্রিন যে গ্ল্যামার দেখা যায়, কনসিলার দিয়ে নেপথ্যের কষ্ট গুলো হয়তো এভাবেই ঢেকে দেওয়া হয়।”

Follow Us