Post Office Scheme: পোস্ট অফিসের এই স্কিমে টাকা রাখলেই ডবল রিটার্ন, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি
Post Office Investment Plan: কিষাণ বিকাশ পত্র বা কেভিপি-তে বিনিয়োগের কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই। আপনি আপনার ইচ্ছামতো বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রথমে এক হাজার চাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন। ইচ্ছামতো নিজের সামর্থ্য মতো বিনিয়োগ করার সুযোগ মিলবে। কীভাবে ডবল রিটার্ন পাবেন?

নয়া দিল্লি : বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন মিউচুয়াল ফান্ড। দ্বিগুণ লাভের আশায় এসআইপি-র (SIP) মতো প্রকল্পে বিনিয়োগ করছেন। তবে, এখনও নিশ্চিত রিটার্নের সুবিধা পেতে ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজ়িট বা সরকারি কোনও স্কিমে বিনিয়োগ করাকেই নিরাপদ মনে করেন অনেকে। কিন্তু, এসআইপি-র মতো দ্বিগুন রিটার্ন হয়তো মেলে না। কিন্তু পোস্ট অফিসের (Post Office Scheme) একটা স্কিম রয়েছে, যেখানে আপনি দ্বিগুন রিটার্ন পেতে পারেন।
শেয়ার বাজারের ওঠানামা ও ঝুঁকি থেকে দূরে থেকে নিরাপদে টাকা দ্বিগুণ করতে চাইলে পোস্ট অফিসের কিষাণ বিকাশ পত্রে (KVP) বিনিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু কীভাবে দ্বিগুন হবে টাকা? কিষাণ বিকাশ পত্রে বিনিয়োগের নিয়ম কী?
কিষাণ বিকাশে ডবল রিটার্ন
কিষাণ বিকাশ পত্র বা কেভিপি-তে বিনিয়োগের কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই। আপনি আপনার ইচ্ছামতো বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রথমে এক হাজার চাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন। ইচ্ছামতো নিজের সামর্থ্য মতো বিনিয়োগ করার সুযোগ মিলবে। পোস্ট অফিসের এই স্কিমে ৭.৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়। যা ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজ়িটের সুদের হারের তুলনায় অনেক ভালো। টাকা দ্বিগুণও হবে
কিন্তু, প্রশ্ন হল এই স্কিমে কবে টাকা দ্বিগুন হবে? তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে প্রায় ৯ বছর। স্কিম অনুযায়ী, ১১৫ মাস অর্থাৎ ৯ বছর ৭ মাস পরে টাকা দ্বিগুন হবে। সহজ কথায়, আপনি যদি আজ ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে মেয়াদপূর্তিতে আপনি নিশ্চিন্তে ১০ লক্ষ টাকা পাবেন।
কারা অ্যাকাউন্ট খুলবেন?
অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয় নাগরিক এককভাবে অথবা অন্য কারও সঙ্গে যৌথভাবে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এছাড়া, অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের নামে এই সার্টিফিকেট কিনতে পারেন। আপনি দেশের যে কোনও পোস্ট অফিস থেকে এটি কিনতে পারেন এবং প্রয়োজনে সহজেই অন্য পোস্ট অফিসে স্থানান্তর করতে পারেন।
ঋণ নেওয়ার সুবিধা
কিন্তু মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে যদি টাকার প্রয়োজন হয়, তাহলে কী করবেন? KVP-তে টাকা তোলারও সুবিধা রয়েছে। তবে তা আড়াই বছরের লক-ইন পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরই সম্ভব। আড়াই বছর পর প্রয়োজনে আপনি টাকা তুলতে পারেন। এছাড়াও জরুরি অবস্থায়, আপনি ব্যাংকে আপনার KVP সার্টিফিকেট বন্ধক রেখে সহজেই ঋণ নিতে পারবেন।
