
শরীরে কোনও রোগ বাসা বাঁধলে, তার উপসর্গ দেখেই চেনা যায়। কিন্তু সেটা সব রোগের ক্ষেত্রে হয় না। অনেক সময় রোগ ধরতে গেলে কিছু পরীক্ষা করাতে হয়। ইউএসজি থেকে শুরু করে মল-মূত্র পরীক্ষা, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের এক্সরে—এমন নানা পরীক্ষা রয়েছে, যা রোগ নির্ণয় করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রক্ত পরীক্ষাও রয়েছে। সুগার থেকে কোলেস্টেরল, ইউরিক অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলো পরিমাপের জন্য রক্ত পরীক্ষা জরুরি। এমন বেশ কিছু রক্ত পরীক্ষা রয়েছে, যা প্রতি বছর করানো দরকার। সুস্থ জীবনযাপনের এই রক্ত পরীক্ষাগুলো করানো দরকার। এতে সময় থাকতে রোগের ঝুঁকি এড়াতে পারবেন।
১) ‘সিবিসি’ বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট
২) লিপিড প্রোফাইল
আজকাল কোলেস্টেরলের সমস্যা ঘরে ঘরে। আর কোলেস্টেরল কতটা বেড়েছে তা জানার জন্য লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করাতে হবে। আপনি যদি প্রতি বছর এই রক্ত পরীক্ষা করান, তাহলে কোলেস্টেরলের বাড়বাড়ন্ত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
৩) গ্লুকোজ
রক্ত শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে তা সহজে ধরা পড়ে না। নিশ্চুপে শরীরে হানা দেন ডায়াবেটিস। প্রতি বছর গ্লুকোজ পরীক্ষা করালে সহজেই ধরা পড়বে সুগার লেভেলের ওঠানামা। তাই গ্লুকোজ় ফাস্টিং এবং এইচবিএ১সি রক্ত পরীক্ষা নির্দিষ্ট সময় অন্তর করাতে থাকুন।
৪) থাইরয়েড
বিপাকীয় হার বজায় রাখা থেকে শুরু করে ইমিউন সিস্টেম উন্নত করতে থাইরয়েড হরমোনের জরুরি। এই হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে বা কমে গেলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার মতো একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রতি বছর থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা যাচাইয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিন।
৫) ‘সিএমপি’ কম্প্রিহেনসিভ মেটাবলিক প্যানেল
দেহে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড, বাইকার্বোনেট, ক্রিয়েটিনিন, নাইট্রোজেন, বিলিরুবিন, অ্যালবুমিন, প্রোটিনের মতো উপাদানগুলো সঠিক পরিমাণে আছে কি তা যাচাইয়ের জন্য সিএমপি রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি।