
অনিয়মের জেরেই বাড়ে ভুঁড়ি। পেটের চর্বি শুধু সৌন্দর্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। ডেকে আনে হাজারো রোগ। যার মধ্যে অন্যতম হল ফ্যাটি লিভার। মেদ কমানোর জন্য ডায়েট ও শরীরচর্চা সমানতালে করা দরকার। কিন্তু যে ব্যক্তি কোনওদিন ক্যালোরি মেপে খাবার খাননি কিংবা জিমের দোরগোড়ায় পা রাখেননি, তাঁর পক্ষে নিয়ম মেনে ওজন কমানো কঠিন। কিন্তু সুস্থ থাকতে গেলে দেহে বাড়তি ওজন কমাতেই হবে। আর এই কাজটা রোজের খাওয়া-দাওয়া দিয়ে শুরু হোক। রোজ যা খাবার খান, তার সঙ্গে এই ৫ খাবার রাখলে মেদ ঝরানো সহজ হবে। এতে হজম স্বাস্থ্য উন্নত হবে, ক্যালোরিও কম প্রবেশ করবে শরীরে।
ওটস: ওজন কমাতে চাইলে জলখাবারে ওটস রাখতেই হবে। প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর এই খাবার কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমায়। পাশাপাশি ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর এক বাটি ওটস খেলে পেটও ভরে যায়। ব্রেকফাস্টে ওটস খেতে পারেন নিয়মিত।
গ্রিন টি: গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, গ্রিন টি খেলে ওজন কমে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই চা খেলে বিপাক হার বাড়ে এবং দ্রুত মেদ ঝরে। পাশাপাশি একাধিক রোগের ঝুঁকি কমায় গ্রিন টি। তবে, মেদ ঝরাতে হলে দিনে ৩-৪ কাপ গ্রিন টি খেতে হবে আপনাকে।
টক দই: আপনার হজম স্বাস্থ্য ভাল না হলে ওজন কমানো কিন্তু বেশ কঠিন। তাই রোজের পাতে এক বাটি করে টক দই রাখুন। এই খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। রায়তা, লস্যি, ঘোল কিংবা দই ভাতও খেতে পারেন।
দারুচিনি: ওজন কমাতে গেলে মশলার দিকেও নজর দিতে হবে। চিনি একেবারেই চলবে না। কিন্তু খাবারে মিষ্টি স্বাদ বাড়াতে দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। চা থেকে ডেজার্ট, যে কোনও খাবারে দারুচিনির গুঁড়ো মেশাতে পারেন।
গোলমরিচ: চিকেন স্টু খান বা ডালের জল, অল্প গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিলে দুর্দান্ত উপকার পাবেন। গোলমরিচের মধ্যে এমন এক যৌগ পাওয়া যায়, যা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। গোলমরিচ মেশানো খাবার খেলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে যায়। পাশাপাশি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।