
ওবেসিটি হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো একাধিক রোগ ডেকে আনে। সুতরাং, বুঝতেই পারছেন যে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা কতটা জরুরি। বাড়তি ওজনই যত নষ্টের গোড়া কিন্তু। ওজন দ্রুত বেড়ে গেলেও কমতে চায় না সহজে। জমা মেদ গলাতে গেলে একটু কসরত করতেই হয়। জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো থেকে শুরু করে মেপে মেপে খাবার খাওয়া—সবই করতে হয়। তাতেও মনের মতো ফল মেলে না। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য শর্ট কাট বেছে নিলেই বিপদ। মেদ ঝরাতে গিয়ে অনেক এমন অনেক ভুল করে ফেলেন, যার জন্য পরে বড় মাশুল গুনতে হয়। ওজন কমাতে গিয়ে এই ৫ ভুল কখনওই করা উচিত নয়।
লো-ক্যালোরি ডায়েট নয়- সবসময় ক্যালোরি মেপে মেপে খাবার খান। লো-ক্যালোরি ডায়েট চটজলদি ওজন কমালেও এটি দেহের কার্যকারিতাকে ব্যাহত করে। সারাদিনের কাজকর্মের জন্য যে এনার্জি ও শক্তি প্রয়োজন, সেটা ক্যালোরি থেকেই মেলে। সুতরাং, শরীরে যে প্রয়োজন ক্যালোরি দরকার সেটা আপনাকে জোগান দিতেই হবে।
খাবার স্কিপ করবেন না- একবেলা খাবার না খেয়ে তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে পারবেন, ভাবছেন? একদম ভুল ভাবছেন। খাবার না খেয়ে, বিশেষত ব্রেকফাস্ট না করে ওজন কমানো যায় না। এতে মেটাবলিজম দুর্বল হয়ে পড়ে, যা নানা শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা রাখবেন না- চটজলদি ওজন কমানোর আশায় সাপ্লিমেন্টের সাহায্য নিচ্ছেন? সাপ্লিমেন্টের দ্বারা ওজন কমানো সম্ভব নয়। তাছাড়া এগুলো হার্টের সমস্যা, লিভারের ক্ষতি সহ একাধিক রোগ ডেকে আনতে পারে। এর চেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন কমান।
ডিটক্স ডায়েট ও পানীয় একদম নয়- ডিটক্স ডায়েট ও পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং ওজন কমায়। কিন্তু এই ধরনের খাবার ও পানীয়তে পুষ্টির পরিমাণ কম থাকে। সারাদিন ধরে ডিটক্স পানীয় খেলে বিপাকীয় হারের গতি কমে যেতে পারে।
কার্বস ও ফ্যাট বাদ দেবেন না- বেশিরভাগ মানুষ ওজন কমানোর জন্য ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট বাদ দিয়ে দেন। দেহের একাধিক কাজকর্মের জন্য কার্বস ও ফ্যাট জরুরি। অবশ্যই সেটা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হতে হবে। সুতরাং, এগুলো সম্পূর্ণরূপে বাদ না দিয়ে সঠিক ডায়েট অনুসরণ করুন।