Diabetes in Children: এই ৬ লক্ষণ বলে দেবে আপনার সন্তানের দেহে ডায়াবেটিস বাসা বাঁধছে কি না
Type 1 diabetes in children: বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলেছে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা। সবচেয়ে বেশি ভয় ধরাচ্ছে টাইপ-১ ডায়াবেটিস। তার থেকেও বেশি উদ্বেগের বিষয় হল, টাইপ-১ ডায়াবেটিস শিশুদের জন্য দ্রুত হারে বাড়ছে। আজ প্রতি ১ লক্ষ শিশুর মধ্যে ৩ জন শিশু টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলেছে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা। সবচেয়ে বেশি ভয় ধরাচ্ছে টাইপ-১ ডায়াবেটিস। তার থেকেও বেশি উদ্বেগের বিষয় হল, টাইপ-১ ডায়াবেটিস শিশুদের জন্য দ্রুত হারে বাড়ছে। আজ প্রতি ১ লক্ষ শিশুর মধ্যে ৩ জন শিশু টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। টাইপ ১ ডায়াবেটিস হল এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। এর জেরে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে এবং নানা সমস্যা দেখা দেয়। আর একবার টাইপ ১ ডায়াবেটিস দেখা দিলে, সারা জীবন সঙ্গী হয়ে থাকবে। কিন্তু আপনার সন্তানে দেহে যে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বাসা বাঁধছে তা বুঝবেন কীভাবে?
বাচ্চাদের মধ্যে টাইপ ১ ডায়াবেটিসের লক্ষণ:
১) বাচ্চা বার বার জল খাওয়ার বায়না করছে, জল তেষ্টা পাচ্ছে। এটা ডায়াবেটিসের লক্ষণ। ডায়াবেটিসে জিভে লালার পরিমাণ কমে যায় এবং গলা শুকিয়ে যায়।
২) শুধু টিভি বা মোবাইলে প্রতি আসক্তির কারণে চোখের সমস্যা দেখা দেয় না। আপনার সন্তানের দেহে যদি টাইপ ১ ডায়াবেটিস বাসা বাঁধে তাহলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যায়। চোখের সমস্যা দেখা দেয়।
৩) দাঁত মাজাতে গিয়ে দেখছেন খুদের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ছে। এটা ভুল ভাবে ব্রাশ ব্যবহারের কারণেও হতে পারে। কিন্তু এমন ঘটনা প্রায়দিন ঘটলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ডায়াবেটিসের কারণে মাড়িতে প্রদাহ তৈরি হয় এবং মাড়ি থেকে রক্তপাত হয়। এমনকি জিভে ঘা ও জ্বালাভাব দেখা দেয়।
৪) বার বার প্রস্রাব ডায়াবেটিসের লক্ষণ। বার বার টয়লেট করলে বুঝবেন সন্তানের দেহে শর্করার মাত্রা বেড়েছে।
৫) ডায়াবেটিসের লক্ষণ ত্বকেও দেখা যায়। বাচ্চার ত্বকে যদি মাঝেমধ্যে র্যাশ বেরোয়, হাত-পায়ে কালো ছোপ দেখা দেয়, তাহলে সতর্ক হন। এগুলো টাইপ-১ ডায়াবেটিসের লক্ষণ।
৬) হঠাৎ করে ওজন বেড়ে যাওয়া কিংবা ওজন কমে যাওয়া, দুটোই ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। যথার্থ পরিমাণ খাবার না খেয়েও ওজন বেড়ে যেতে পারে। আবার পরিমাণের থেকে বেশি খেয়েও ওজন কমে যেতে পারে।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
