
অনেকেই আছেন যাঁদের বেশি রাত করে ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস। আনার অনেকের কাছে এটা স্ট্যাটাস সিম্বল। রাতে বেশিক্ষণ জেগে সকালে দেরী করে ওঠা, মনে করেন এতে সব কাজ অনেক ভাল হয়। কিছু মানুষ আছেন যাঁদের কাজের প্রয়োজনে রাত জাগতে হয়, রাত জেগে তা শেষ করতে হয়। আবার কিছু মানুষ স্রেফ দেখনদারির জন্য রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কাজ বা সিনেমা-ওয়েব সিরিজ দেখতে থাকেন। এর ফলে আমাদের বডি ক্লকের মধ্যে অনেকখানি পরিবর্তন হয়ে যায়। কাকভোরে ঘুমোতে যাওয়া মোটেই কাজের কথা নয়। চিকিৎসকেরা বার বার সতর্ক করছেন। শরীরের একটা নিজস্ব ঘড়ি রয়েছে। সেই রুটিনে একবার ছেদ পড়লে তা ঠিক করতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। যাঁরা রাতে দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকেন পরবর্তীতে তাঁদের আর রাতে ঘুমই আসে না। সেখান থেকে তখন অনিদ্রা, ওবেসিটি, হার্টের রোগ একাধিক সমস্যা হয়।
দেরি করে ঘুমনো ঠিক নয়, একথা সকলেই জানেন। আজকাল ফিটনেস এক্সপার্ট থেকে চিকিৎসক সকলেই এই একটি ব্যাপারে সতর্ক করছেন। তবুও ঘুমোতে যাওয়ার আগে সেই একই ভুল করেন মানুষ। লোক দেখাতে গিয়ে যে নিজের শরীরেরই ক্ষতি হচ্ছে তা মনে রাখেন না অনেকেই। পুজোর আগে এই সব অভ্যাস বাদ দিন, নইলে নিজেই কয়েকদিনের মধ্যে পড়বেন জটিল সমস্যায়। রাত জেগে ভোরে ঘুমিয়ে এভাবে শরীরের যা যা ক্ষতি করছেন জানুন-
প্রতি রাতে ১টা-২টো নাগাদ শুতে গেলে শরীরে বিপাকের হার কমে যেতে পারে। আর এই কারণেই ওজনের কাঁটা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বলে রাতে আবার বেশিক্ষণ মানে ৯ ঘন্টার বেশি ঘুমোবেন না। এতেও শরীরে মেদ জমতে পারে। তবে বেশি রাত করে বা দীর্ঘক্ষণ ঘুমাবেন না। এতে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। তাই আজ থেকেই নিজের স্লিপ রুটিন বদলে ফেলুন। এতে শরীরচর্চা করলেও তা কাজে দেবে না
বেশি রাত করে ঘুমাতে যাওয়ার কারণে হার্টের রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। ভোররাতে শরীর থেকে এমন কিছু হরমোন নির্গত হয় যা আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে চাইলে রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বিছানায় চলে যান। এই নিয়মটা মেনে চলতে পারলেই কিন্তু একাধিক ঘাতক অসুখের ফাঁদ এড়িয়ে যেতে পারবেন