Viral Video: ২২ বছরেই ছ’বার অন্তঃসত্ত্বা, কারণ জানলে চমকে উঠবেন, ভাইরাল ভিডিয়ো
Pregnant Woman Viral Video: উত্তর প্রদেশের এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ তাঁর ক্লিনিক থেকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ভিডিয়োতে দেখা গেল, প্রথমে মহিলাকে বয়স জিজ্ঞাসা করছেন চিকিৎসক। উত্তরে মহিলা জানান, তাঁর বয়স ২২। পাঁচ সন্তান রয়েছে। ষষ্ঠ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। কারণ জানেন?

লখনউ: আগেই ৫ সন্তান রয়েছে। আবারও তিনি অন্তঃসত্ত্বা। অথচ বয়স মাত্র ২২। এই বয়সে যখন মেয়েরা কলেজের গণ্ডি পার করে, ঠিক সেই বয়সে তিনি ষষ্ঠ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। ওই চিরাচরিত একটাই কারণ। পুত্র সন্তানের আশা। তবে, তাঁর যে পুত্র সন্তান নেই তা কিন্তু নয়। সবটাই দ্বিতীয় পুত্রের আশায়। কারণ শুনলে আপনি চমকে যাবেন। সম্প্রতি, এক চিকিৎসকের ভিডিয়ো ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি টিভি৯ বাংলা।
বাল্যবিবাহ ও ৫ সন্তান
উত্তর প্রদেশের এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ তাঁর ক্লিনিক থেকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ভিডিয়োতে দেখা গেল, প্রথমে মহিলাকে বয়স জিজ্ঞাসা করছেন চিকিৎসক। উত্তরে মহিলা জানান, তাঁর বয়স ২২। পাঁচ সন্তান রয়েছে। ষষ্ঠ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। ওই মহিলার সঙ্গে তাঁর স্বামীও উপস্থিত ছিলেন। বিয়ে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে দম্পতি জানান, তাঁরা রাজস্থানের বাসিন্দা এবং বাল্যবিবাহ হয়েছিল। এরপর ওই মহিলা জানান, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল প্রায় ১৫ বা ১৬ বছর। তাঁর বড় সন্তানের বয়স আট বছর। তাঁর চার মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
সংসারের হাল ধরতে এক ছেলে যথেষ্ট নয়
ঘটনায় হতবাক হয়ে যান চিকিৎসক। তিনি প্রশ্ন করেন, কোনও গর্ভনিরোধক পদ্ধতি কেন গ্রহণ করেননি। কেন তাঁরা সন্তানের জন্ম দিয়েই চলেছেন? উত্তরে ওই মহিলা জানান, তিনি ধারাবাহিকভাবে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে ছেলেও রয়েছে তাঁর। যখন তিনি জিজ্ঞাসা করেন যে কেন আরেকটি ছেলের প্রয়োজন, সেইসময় তাঁর স্বামী উত্তরে বলেন, “একটি ছেলে যথেষ্ট নয় এবং তাঁদেক অন্তত দু’টি ছেলের প্রয়োজন। তাঁদের মতে, সংসারের হাল ধরার জন্য একের বেশি পুত্র সন্তানের প্রয়োজন রয়েছে।”
ওই মহিলা জানান, তাঁর মাথা ঘোরা ও শ্বাসকষ্টসহ একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসক জানান, দু’বার গর্ভধারণের মধ্যে অন্তত একটা ব্যবধান থাকা উচিত ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ, এভাবে বারবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে নিজের স্বাস্থ্য়কেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন ওই মহিলা। বংশ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নামে নারীদের ওপর যে চাপ সৃষ্টি করা হয়, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন চিকিৎসক। ওই মহিলাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সন্তানকে জন্ম দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপোস করা উচিত নয়।
