Nitish Kumar: আজই দেবেন ইস্তফা, ২০ বছর পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ছেন নীতীশ কুমার?

Rajya Sabha MP Nitish Kumar: নীতীশ কুমার ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী- একে অপরের যেন সমার্থক ছিলেন। তবে চলতি মাসের শুরুতেই, ৯ মার্চ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হন নীতীশ কুমার। একসঙ্গে তিনি বিধায়ক ও সাংসদ- উভয় পদে থাকতে পারেন না, তাই ইস্তফা।

Nitish Kumar: আজই দেবেন ইস্তফা, ২০ বছর পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ছেন নীতীশ কুমার?
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।Image Credit source: PTI

|

Mar 30, 2026 | 6:35 AM

পটনা: বড় খবর। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)? সূত্রের খবর এমনটাই। বিহারের সবথেকে দীর্ঘ সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। ১০ দফায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন তিনি। বিগত ১৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, নীতীশের উত্তরসূরী কে হবেন? কার হাতে বিহার সামলানোর দায়িত্বভার দেবেন তিনি?

নীতীশ কুমার ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী- একে অপরের যেন সমার্থক ছিলেন। তবে চলতি মাসের শুরুতেই, ৯ মার্চ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হন নীতীশ কুমার। একসঙ্গে তিনি বিধায়ক ও সাংসদ- উভয় পদে থাকতে পারেন না, তাই ইস্তফা। সূত্রের খবর, আজ, সোমবারই তিনি বিহারের বিধান পরিষদ থেকে ইস্তফা দেবেন। এরপরই তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে পারেন।

নীতীশের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের সদস্য অনন্ত কুমার সিং রবিবারই বলেন যে জেডি(ইউ) সদস্যরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী আগেই মনস্থির করে নিয়েছিলেন বিধান পরিষদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার বিষয়ে।

প্রসঙ্গত, বিগত প্রায় এক মাস ধরেই জল্পনা চলছিল নীতীশ কুমারকে নিয়ে। শোনা যাচ্ছিল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে রাজ্যসভার সাংসদ হতে নারাজ ছিলেন নীতীশ কুমার। এদিকে, সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরও রাজ্য বিধানসভার বা অন্য কোনও প্রশাসনিক পদ ছাড়ার বিশেষ আগ্রহ দেখাননি নীতীশ কুমার, যা নিয়ে জোটসঙ্গী বিজেপি-ও বেশ কিছুটা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধায়ক থেকে সাংসদ হলেও, এটা কার্যত পদস্থলন কারণ মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লে, তার হাতে বিশেষ কোনও ক্ষমতা থাকবে না।

এই নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন একসময়ের জোটসঙ্গী তথা বর্তমানের প্রতিপক্ষ আরজেডির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট তেজস্বী যাদব। তিনি দাবি করেছেন যে নীতীশ কুমারের রাজ্যসভায় যাওয়ার কোনও ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু বিজেপি জোর করে তাঁকে মনোনয়ন দিতে বাধ্য করেছে। এভাবেই গেরুয়া শিবির জেডিইউ-কে শেষ করে দেবে।

তেজস্বী বলেন, “নীতীশ কুমার জেডি(ইউ)-র জাতীয় সভাপতি হতে পারেন কিন্তু এবার দল চলবে বিজেপির ইশারায়। আমরা সবসময় বলেছি যে বিজেপি জেডিইউ-কে শেষ করতে চায়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই নীতীশ কুমারকে জোর করে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়েছে। ওঁর কোনও ইচ্ছা ছিল না মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার।”

গত ৫ মার্চ নীতীশ কুমার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। সেই সময়ও তিনি বলেছিলেন বিহার বিধানসভা ও সংসদের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার হওয়ার ইচ্ছার কথা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। ৯ মার্চ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হন।

Follow Us