RG Kar Case: কলকাতা পুলিশের সঙ্গে ‘আঁতাত’! CBI আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তিলোত্তমার মা-বাবার
RG Kar Case: আরজি কর কাণ্ডে শুরু থেকেই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়ে কলকাতা পুলিশও। যদিও এই কলকাতা পুলিশই গোড়ায় ধরেছিল সিভিক ভলান্টিয়র সঞ্জয় রায়কে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধেই চার্জশিট দেয় সিবিআই।

নয়া দিল্লি: দিল্লি গিয়েছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। দ্বারস্থ হয়েছেন সিবিআই ডিরেক্টরের। কলকাতা পুলিশের তদন্তের মধ্যেই আবদ্ধ থেকেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট করে এক তদন্তকারী অফিসারের দিকে তুলছেন আঙুল। কলকাতা পুলিশের সঙ্গেও আতঁতের অভিযোগে সরব হয়েছেন। সূত্রের খবর, সিবিআই ডিরেক্টরকে দেওয়া চিঠিতে এমনই অভিযোগ করেছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজার বিরুদ্ধে।
প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে শুরু থেকেই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়ে কলকাতা পুলিশও। যদিও এই কলকাতা পুলিশই গোড়ায় ধরেছিল সিভিক ভলান্টিয়র সঞ্জয় রায়কে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধেই চার্জশিট দেয় সিবিআই। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আমৃত্য়ু কারাবাসের সাজা শোনান বিচারক। যদিও চিকিৎসকদের সংগঠন থেকে সমাজের একটা বড় অংশের মানুষের দাবি, এ ঘটনার পিছনে রয়েছে আরও অনেক মানুষের হাত। তিলোত্তমার মা-বাবাও বলছেন, “শেষ দেখতে প্রয়োজনে দিল্লির রাস্তায় ধরনা দেবেন।” এমনকী সঞ্জয়ের ফাঁসির সাজা না হওয়া নিয়েও চাপানউতোর চলছেই। তারইমধ্যে সিবিআইয়ের সঙ্গে কলকাতা পুলিশের যোগসাজসের অভিযোগে নতুন করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
দিল্লি থেকেই তিলোত্তমার বাবা বলেন, “সিবিআই কর্তারা বলেছেন আমরা তদন্ত করছি। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন। আপনারা ন্যায় বিচার পাবেন। ধৈর্য ধরতে হবে। তবে এও বলেছেন তদন্তের বিষয়ে আমাদের অনেক সমস্যা। সে কারণেই সবসময় সহযোগিতা করতে পারি না। কিন্তু, চেষ্টা করব পরবর্তীতে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার।”
অন্যদিকে তিলোত্তমা কাণ্ডে টিভি নাইনের হাতে এসে গিয়েছে সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট। ঘৃণ্য অপরাধ আড়ালে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা শেষ পর্যন্ত জিইয়েই রাখল সিবিআই। উড়িয়ে দিল না বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব। ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের স্বরূপ উন্মোচনে তদন্ত শেষ পর্যায়ে, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হবে। আদালতকে স্টেটাস রিপোর্টে এমনটাই জানাল সিবিআই।
