
নয়া দিল্লি : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের অভ্যন্তরে জ্বালানি (Petrol-Diesel Price) নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) বার্তার পর থেকেই মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে, রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) জানিয়ে দিয়েছেন, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তবে, তেলের ব্যবহার কমানোরই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বারবার কেন্দ্রের তরফে। তেলের ব্যবহার নিয়ে পদক্ষেপ করারও চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে তেলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে সরকার। তেলের ব্যবহার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে পদক্ষেপ করবে সরকারের বিভিন্ন দফতর।
গতকাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে, বৈঠকের পর পেট্রোপণ্য, তেল ও গ্যাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বিষয়ে রাজনাথ সিংয়ের বার্তা অযথা আতঙ্কের কারণ নেই। কেন্দ্রের তরফে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের পর পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের হাতে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। ভারতের হাতে ৬০ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। মজুত রয়েছে ৬০ দিনের প্রাকৃতিক গ্যাস। ৪৫ দিনের এলপিজিও মজুত রয়েছে বলে খবর। তবে, তেলের দাম বাড়বে কি না এই নিয়ে জল্পনা চলছে। এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
সরকারি সূত্রে খবর, গত এক মাসে তেল সংস্থাগুলির ক্ষতির পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আবগারি শুল্কে ছাড় দেওয়ার কারণে সরকারের ১.৬ লক্ষ কোটি টাকা শুল্ক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর বার্তার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। কংগ্রেসের আক্রমণ, কোভিড হোক বা অন্য যে কোনও সংকট সময়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে সাধারণ মানুষকে আত্মত্যাগ করতে বলেন। একই দাবি সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, জেএমএম দলগুলির। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতাদের চার্টার্ড ফ্লাইটে যাতায়াত এবং প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন বিদেশ সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।