Rajnath Singh: দেশে আর কত জ্বালানি, গ্যাস মজুত রয়েছে? জানিয়ে দিল কেন্দ্র
Rajnath Singh on Petrol-Diesel: রাজনাথ বলেন, "দেশ নিরাপদ এবং কোনও পেট্রোলিয়াম পণ্যের ঘাটতি নেই। যদিও বেশিরভাগ দেশই অভ্যন্তরীণ ব্যবহার কমাতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ভারতের কাছে ৬০ দিনের অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ৪৫ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে।"

নয়া দিল্লি : দেশে কত দিনের পেট্রোপণ্য মজুত রয়েছে? কত দিনের এলপিজি গ্যাস রয়েছে? জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। দেশবাসীকে জ্বালানি ব্যবহারে সংযত হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। পেট্রোল-ডিজ়েলের (Petrol-Diesel) ব্যবহার কমানোর আবেদন করেছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির কী পরিস্থিতি, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) জানিয়েছেন, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে।
কী জানালেন রাজনাথ সিং?
গতকালই একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন রাজনাথ সিং। বৈঠকের পরই তিনি জানান, ভারতের কাছে ৬০ দিনের অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত রয়েছে। রাজনাথ বলেন, “দেশ নিরাপদ এবং কোনও পেট্রোলিয়াম পণ্যের ঘাটতি নেই। যদিও বেশিরভাগ দেশই অভ্যন্তরীণ ব্যবহার কমাতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ভারতের কাছে ৬০ দিনের অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ৪৫ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে।”
‘অযথা আতঙ্কিত হবেন না’
বৈঠকের বিষয়ে রাজনাথ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন,”প্রধানমন্ত্রীজির নেতৃত্বাধীন সরকার সকল অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশংসনীয় কাজ করে চলেছে। শান্ত থাকুন। অযথা প্যানিক করবেন না। যাতে ঘাটতি না হয় তা রোধ করতে সরকার সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ করছে। বৈশ্বিক সংকট ও প্রতিকূলতা মোকাবিলায় দেশকে সাহায্যের জন্য জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই আহ্বান আত্মনির্ভরশীলতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে।”
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ আবহে দেশবাসীকে বড় বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক বছর সোনার গয়না না কেনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে পেট্রোল-ডিজ়েল বাঁচাতে গণপরিবহণ বেশি করে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ওয়ার্ক ফ্রম হোম-কে গুরুত্ব দিয়েছেন। মনে করিয়ে দিয়েছেন কোভিডের সময় বাড়ি থেকে কাজ করার কথা। তিনি বলেছিলেন,”বাড়ি থেকে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কোভিডের সময় আমরা বাড়ি থেকে কাজ, অনলাইন মিটিং এবং ভিডিয়ো কনফারেন্সের মতো অনেক ব্যবস্থা তৈরি করেছিলাম এবং সেগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম।” ওই একই ব্যবস্থায় আবার কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
