Arvind Kejriwal: প্রমাণ দিতে পারেনি CBI, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস কেজরীবাল-সিসোদিয়া

Delhi Excise Scam: এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া।

Arvind Kejriwal: প্রমাণ দিতে পারেনি CBI, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস কেজরীবাল-সিসোদিয়া
কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল। তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন মণীশ সিসোদিয়া।Image Credit source: ANI

|

Feb 27, 2026 | 12:23 PM

আদালতে বড় জয় আম আদমি পার্টির। দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস অরবিন্দ কেজরীবাল। মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়েছে আদালত। সিবিআই দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।

এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল বলেন যে সত্যের জয় হল।

দিল্লির আবগারি নীতিতে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে। ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ছিল কেজরীবালের বিরুদ্ধে। ওই মামলাতেই গ্রেফতার হন কেজরীবাল, সিসোদিয়া। জামিনে মুক্তি পেয়ে নির্বাচনেও লড়েছিলেন, কিন্তু আপ সরকারের চূড়ান্ত খারাপ ফল হয় বিধানসভা নির্বাচনে। দিল্লির ক্ষমতায় আসে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবগারি দুর্নীতি আম আদমি পার্টির নির্বাচনে হারের অন্যতম কারণ ছিল।

এ দিন আদালত জানায় যে কেজরীবালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের প্রয়োজন থাকে। প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। যদি প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ আনা হয়, তাহলে বিচারব্যবস্থার উপরে সাধারণ মানুষের আস্থা প্রভাবিত হবে।

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেই জানায় আদালত।  বয়ানের সঙ্গে বিভিন্ন নথি পড়া হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে অন্যায় নয়, বরং প্রশাসনিক প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছে।

আদালতে আরও উল্লেখ করা হয় যে আবগারি নীতি তৈরির আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল। সিবিআই যে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল, তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদিও সিবিআই জানিয়েছে, তাঁরা রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে।