No Confidence Motion Against Om Birla: ‘একলা চলো’ নীতি নয়! স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে কৌশল বদল তৃণমূলের
Parliament Budget Session: শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন স্পিকার ওম বিড়লা — এই অভিযোগকে সামনে রেখে রুখে দাঁড়িয়েছিল ইন্ডি জোট। সংশ্লিষ্ট নোটিসে বিরোধী শিবিরের মোট ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছিলেন। নোটিসটি লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল উৎপলকুমার সিংহকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ স্পিকার।

নয়াদিল্লি: লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধীরা। অবশেষে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের শুরুর দিন থেকে সেই অনাস্থা প্রস্তাব সামনে রেখেই কৌশলী ইন্ডি জোট। সূত্রের খবর, এই পর্বে প্রাথমিকভাবে ‘একলা চলো’ নীতি নেওয়া তৃণমূলও যোগ দিতে পারে বিরোধী জোটের সঙ্গেই।
সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। তাই এই পর্বে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা বিরুদ্ধে সুর চড়াবে বিরোধী শিবির। অবশ্য কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ের অধিবেশন শুরুর পরে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করা হবে। সূত্রের খবর, এবার এই ভোটাভুটিতেই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে চলেছেন তৃণমূল সাংসদরা।
অধিবেশনের প্রথম পর্বে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন স্পিকার ওম বিড়লা — এই অভিযোগকে সামনে রেখে রুখে দাঁড়িয়েছিল ইন্ডি জোট। সংশ্লিষ্ট নোটিসে বিরোধী শিবিরের মোট ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছিলেন। নোটিসটি লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল উৎপলকুমার সিংহকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ স্পিকার। কিন্তু জল এত দূর গড়ালেও তৃণমূল ছিল ‘নিঃসঙ্গ’। অনাস্থা নোটিস স্বাক্ষর করা থেকে বিরত ছিলেন তৃণমূল সাংসদরা।
সেই সময় দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্তি দিয়েছিলেন, “আমাদের স্বাক্ষর করা নিয়ে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু আমরা ওদের (কংগ্রেসকে) একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। জানিয়েছিলাম, প্রথমে একটা চিঠি পাঠাতে। তারপর কয়েকদিন সময় দিন। স্পিকার যদি সেই চিঠির ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তা হলে তখন অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিন।” কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত থেকে সম্ভবত এবার সরিয়ে দাঁড়িয়ে তৃণমূল। প্রস্তাবে স্বাক্ষর না করলেও অনাস্থা ভোটাভুটিতে ইন্ডি জোটের পাশে দাঁড়াতে রাজি রাজ্যের শাসকশিবির।
