Centre on Crude Oil : রাশিয়ার থেকে তেল আমদানিতে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রের

Centre on Crude Oil : কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, আমেরিকার ৩০ দিনের ছাড়ের ঘোষণার পরই রাশিয়ার থেকে তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফে। যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য ভারত কোনও দেশের উপর নির্ভর করে না। কোনও দেশের অনুমতির প্রয়োজন নেই ।

Centre on Crude Oil : রাশিয়ার থেকে তেল আমদানিতে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রের
নরেন্দ্র মোদীImage Credit source: x

Mar 07, 2026 | 5:24 PM

নয়া দিল্লি : রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য কোনও দেশের অনুমতির প্রয়োজন নেই। জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি, রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় ভারতকে সাময়িক ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। ৩০ দিনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, আমেরিকা কীভাবে ভারতকে তেল কেনায় অনুমতি দিতে পারে? এবার তারই জবাব দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও ভারতের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। ভারত তার অপরিশোধিত তেলের উৎসকে ২৭টি থেকে ৪০টি দেশে নিয়ে গিয়েছে। জ্বালানী সরবরাহে একাধিক বিকল্প রুটও নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থে,ভারত সবথেকে প্রতিযোগিতামূলক এবং সাশ্রয় হবে এমন যে কোনও জায়গা থেকে তেল কেনে।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, আমেরিকার ৩০ দিনের ছাড়ের ঘোষণার পরই রাশিয়ার থেকে তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফে। যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য ভারত কোনও দেশের উপর নির্ভর করে না। কোনও দেশের অনুমতির প্রয়োজন নেই । কেন্দ্র একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারত রাশিয়ার তেল আমদানি করছে । আর রাশিয়া এখনও ভারতের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী।

কেন্দ্র আগেই জানিয়েছে, ভারতের ভান্ডারে ২৫ কোটি ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে। এখনও সাত বা আট সপ্তাহ পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবে ভারত।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্ট ভারতের প্রশংসা করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বেসেন্ট লেখেন, “ভারতীয়রা খুবই ভালো অ্যাক্টর। আমরা ওদের রুশ তেল কিনতে বারণ করেছিলাম। এর বিকল্প হিসেবে মার্কিন তেল কিনবে ভারত।” কিন্তু, দিল্লি জানিয়ে দিল যে তারা কাউকে তোয়াক্কা করে না।