
নয়া দিল্লি: ফের একবার দিল্লি পুলিশের হাতে আটক ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা আশুতোষ রাঙ্কা,সৌরভ দাস ও আজিঙ্ক শিন্ডে। আটক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির আরও একাধিক সদস্যদেরও। নিষেধাজ্ঞা জারির পরও মঙ্গলবার সকালে দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করছিলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ সদস্যরা। যন্তর-মন্তরে প্রবেশ করতেই দিল্লি পুলিশ আটক করে তাঁদের।
এ দিন, অভিজিৎ দীপকে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে। একটি লোহার গেট ও পুলিশি ব্যারিকেট টপকাচ্ছেন ককরোচ পার্টির সদস্যরা। তাঁদের হাতে রয়েছে দেশের জাতীয় পতাকা। এরপরই পুলিশ এসে একে একে আটক করে তাঁদের। এভাবে আটকানো যাবে না, জানালেন ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকের।
Cockroaches with the Tiranga sneaked into Jantar Mantar early this morning before they were picked up by Delhi Police.
@AshutoshRanka, @SauravDassss, @AjinkyaCJP along with other team members have been detained.
You cannot denotify the resistance, @narendramodi https://t.co/x7B40akCVO
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 13, 2026
দিল্লির যন্তর-মন্তরে কোনও রকম বিক্ষোভ দেখানো যাবে না, সে কথা আগেই জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। সেই সময় অভিজিৎ দীপকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল, গোটা দেশই যন্তর-মন্তর হবে। দিকে দিকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। এরপর আজ দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানিয়ে হবে, কোন কোন জায়গায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ দেখাতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেল পুলিশের অনুমতির আগেই, কোনও অপেক্ষা না করে যন্তর মন্তরে চলে যান বিক্ষোভ দেখাতে। তখনই আটক হন তাঁরা।
এর আগে শনিবার আন্দোলনের জন্য বিমানে চড়ে মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসার সময় আটক হন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কারা। দিল্লির মাটিতে পা রাখতেই আটক হন তাঁরা। পরে ২৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পান। এরপর ফের একবার আটক সিজেপির নেতারা।