
নয়া দিল্লি: নন্দীগ্রামের (Nandigram) কংগ্রেস প্রার্থী (Congress) মিলন প্রধানকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। একক বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সোমবার সেই মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের নির্দেশ, আপাতত নির্বাচন লড়ুক মিলন প্রধান। ফলত, জামিন খারিজের আবেদনে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে সাড়া দিল না সুপ্রিমকোর্ট।নির্বাচনের পর হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
প্রধান বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদি জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে থাকে তাহলে এত বছর পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কেন? প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সকলের দায়িত্ব থাকা উচিত।
সওয়াল-জবাবের সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, “গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। খুন, বোমা ছোড়ার মত অভিযোগ আছে।” সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “এটা অনেক পুরনো মামলা। ২০০৭ সালের ঘটনা। আপনারা এতদিন কী করছিলেন! জমি সংক্রান্ত বিবাদের বিষয় আমরা জানি। ৬৬ মানুষের বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযোগ হয়েছিল।”
এখানে উল্লেখ্য, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। আগামীতে তিনি এই মামলা থেকে সরে যেতেও পারেন। কারণ, বিচারপতি বাগচী জানান, ২০০৭ সালে জমি আন্দোলন হচ্ছিল। সেই সময় এই মামলার যখন শুনানি হয়েছে তখন তিনি আইনজীবী হয়ে অভিযুক্তদের হয়ে লড়েছেন। বর্তমানে তিনি বিচারপতির পদে আছেন। সেই কারণেই এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ভবিষ্যতে থাকবেন কি না তা নিয়ে সংশয় থাকছে।