Rahul Gandhi: ‘রোজ মেসেজ আসে…’, জ্ঞানেশ কুমারকে রাজসাক্ষী হতে বললেন রাহুল গান্ধী

Rahul Gandhi on CEC Gyanesh Kumar: বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর। জ্ঞানেশ কুমারকে রাজসাক্ষী হওয়ার পরামর্শ দিলেন কংগ্রেস সাংসদ। মোদী সরকারের ২০০ জন আধিকারিক এই মুহূর্তে বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও দাবি করেন তিনি। 

Rahul Gandhi: রোজ মেসেজ আসে..., জ্ঞানেশ কুমারকে রাজসাক্ষী হতে বললেন রাহুল গান্ধী
বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর।Image Credit source: PTI

|

Oct 12, 2026 | 3:10 PM

নয়া দিল্লি: জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar) নিয়মিত মেসেজ করেন। বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)। এসআইআর ইস্যুতে জ্ঞানেশ কুমারকে রাজসাক্ষী হওয়ার পরামর্শ দিলেন কংগ্রেস সাংসদ। মোদী সরকারের ২০০ জন আধিকারিক এই মুহূর্তে বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার ভয়ে আছেন। তিনি ঘুমাতে পারছেন না।”

এ দিন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। রোজ মেসেজ আসে। আমি বলি, রাজসাক্ষী হয়ে যান। আপনি অপরাধ করেছেন। সত্যি কথা বলতে আপনি আসল অপরাধী নন। আপনি একটা ভুল করেছেন। আপনি এই ভুলের পিছনের মাথা নন।”

তিনি আরও বলেন, “যারা এই ভুলের পিছনে মাথা, আমরা তাদের পিছনে রয়েছি। আপনার জন্য খুব সহজ পথ রয়েছে, ইস্তফা দিন। বেরিয়ে যান। আমরা আপনাকে ক্ষমা করে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারি। কারণ সেটাই দেশের জন্য পরিষেবা হবে। আমরা বুঝতে পারছি যে আপনি কতটা চাপে রয়েছেন। আমরা মানুষকে ক্ষমা করে দিচ্ছি। আমরা নিষ্ঠুর নই। কিন্তু আমরা সংবিধানকে সুরক্ষিত রাখবই।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা ভাবছেন যে পুলিশ আমাদের মারছে। যদি আপনারা ক্লান্ত হন, তাহলে পুলিশও ক্লান্ত। পুলিশও আমাদের প্রশ্ন করছে যে জ্ঞানেশ কুমারের মতো চোরকে সুরক্ষা দিচ্ছি কেন আমরা? আমরা থামব না। যত সময়ই লাগুক না কেন- দিন, সপ্তাহ, মাস বা বছর, তা গুরুত্ব রাখে না।”

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বলতে চাই, ওঁর সরকারের ২০০ জন অফিসার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং আমাদের খবর দিচ্ছে।”

রাহুলের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “একটা দেশের নির্বাচন কমিশন, তার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, তিনি রাজসাক্ষী হতে চলেছেন, আবার বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে! যাক নতুন কিছু শোনা গেল। রাহুল গান্ধী যতদিন আছেন, ততদিন সরকার পক্ষের চিন্তার কোনও কারণ নেই। এই ধরনের কাঁচা হাস্যরস পরিবেশন করা… বয়স তো হল, এবার একটু থামুন।”

অন্যদিকে মমতা-তৃণমূলের মুখপাত্র বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একটা তো অপরাধ হয়েছে। এবার রাহুল গান্ধী বলছেন যে রাজসাক্ষী হবেন। হলে তো ভালো। মোদী-অমিত শাহ যে বিরাট বড় ফৌজদারি অপরাধ করেছে, দেশবিরোধী কাজ করেছে, এটা ফাঁস হওয়া দরকার। পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি জেতেনি। আমরা ২ কোটি ৭০ লক্ষ ভোট পেয়েছিলাম,  তারপর গণনায় কী হয়েছিল। আমি মুখ্যমন্ত্রীর চোখের সামনে ছিলাম। কীভাবে এরা জোর করে মেরে ভবানীপুর বিধানসভায় জিতেছিল। প্রত্যেকটা বিধানসভায় এইভাবে জিতেছে ওরা। এটা এক্সপোজ হওয়া দরকার আছে। মানুষের সামনে মুখোশ খোলার দরকার আছে।”

বিস্তারিত আসছে…

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us