Election Commission of India: মমতার মুখেও শোনা গিয়েছিল এর নাম! SIR বিতর্কের মাঝেই সীমা খান্নাকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

SIR Controversy: এসআইআর (SIR)-এর সময় ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি এমন ব্যক্তি এবং নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হওয়া নাগরিকদের জন্য স্পেশাল সামারি রিভিশন (Special Summary Revision) বা এসএসআর (SSR) চালু করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

Election Commission of India: মমতার মুখেও শোনা গিয়েছিল এর নাম!  SIR বিতর্কের মাঝেই সীমা খান্নাকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের
সীমা খান্নার পদ পরিবর্তন না হলেও, ক্ষমতায় কিছুটা বদল করল কমিশন। Image Credit source: TV9 বাংলা

|

Nov 06, 2026 | 6:45 AM

নয়া দিল্লি: নির্বাচন কমিশনের অন্দরে একের পর এক বদল। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) অভ্যন্তরীণ কাজের বণ্টনে ফের নতুন নির্দেশ। কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার অধীনে থাকা বিভাগগুলির ফাইল এবার সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার মাধ্যমে পাঠাতে হবে। গত ৪ নভেম্বর এই সংক্রান্ত নতুন ওয়ার্ক অ্যালোকেশন অর্ডার জারি করেছে কমিশন। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

এসআইআর নিয়ে বিতর্কে নাম উঠে এসেছিল সীমা খান্নার। অভিযোগ উঠেছিল, তিনি কমিশনের কাজে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ করছেন। নাম যোগ-বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইআরও (ERO)-র হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে দিল্লি থেকে গোটা বিষয়টা নিয়ন্ত্রণও ছিল নাকি এই সীমা খান্নার হাতেই। এবার কিছুটা হলেও তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা সরল।

তবে কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, এতে সীমা খান্নার পদমর্যাদা বা রিপোর্টিং কাঠামোয় কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সীমা খান্না আগেও ডিইসি (DEC) পর্যায়ের আধিকারিকের কাছেই রিপোর্ট করতেন। এখনও সেই ব্যবস্থাই রয়েছে। কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এই নতুন কাজের বণ্টন করা হয়েছে।

কেন বিতর্ক?

নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিগত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছাড়া কমিশনের অন্য দুই সদস্য বিবেক জোশী ও সুখবীর সিং সান্ধু একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন, যার মধ্যে একটি অফিস অর্ডারও রয়েছে। এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় কমিশন জানিয়েছে, ২০২৫সালের ২৩ সেপ্টেম্বরের অফিস অর্ডার অনুযায়ী কাজের বণ্টনই এখনও কার্যকর রয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২৮ জুলাই নতুন একটি কাজের বণ্টনের নির্দেশ জারি হয়েছিল। ওই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের হাত থেকে আইটি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে নেওয়া হয় এবং সীমা খন্নাকে সরাসরি রিপোর্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই নিয়ে আপত্তিও জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার।

কমিশনের দাবি, ডেপুটেশনে থাকা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক আইএএস (IAS) আধিকারিক ওই নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি বাস্তবে কার্যকর হয়নি। ২৯ জুলাই দুই নির্বাচন কমিশনার এই নির্দেশ নিয়ে পৃথকভাবে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দেন। এরপর ৩০ জুলাই তাঁদের যৌথ নির্দেশের পর ২৮ জুলাইয়ের অর্ডারটি কার্যকর করা হয়নি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এসআইআর-এর পর ফের ভোটার তালিকা সংশোধন-

এদিকে এসআইআর (SIR)-এর সময় ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি এমন ব্যক্তি এবং নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হওয়া নাগরিকদের জন্য স্পেশাল সামারি রিভিশন (Special Summary Revision) বা এসএসআর (SSR) চালু করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আগামী ৩০ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন ১২ ডিসেম্বর। সেগুলি ১৬ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এরপর ২১ জানুয়ারি ২০২৭ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগে বিরোধীরা সরব হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সীমা খান্নার নাম উল্লেখ করে অভিযোগ তুলেছিলেন।

প্রেস নোটে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ মে-এর অর্ডারে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়াকে বহাল রেখেছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us