Project Durga, KALI: দুর্গা-কালীর রুদ্র রূপের তেজে ‘পুড়বে’ শত্রুরা, তৈরি DRDO ও ভাবা অ্যাটমিক
মা দূর্গা, কালী পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে তাঁরা আমাদের রক্ষা করেন অসুরদের হাত থেকে। দেশের প্রতি প্রান্তে তাঁরা পূজিতা হন। আলাদা আলাদা নামে-রূপে। তবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে নাম বা রূপ আলাদা হলেও দূর্গা ও কালী যে আমাদের রক্ষা কর্তা - এবিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভারতীয় সেনার দুটি লেটেস্ট ও ফিউচারেস্টিক অস্ত্রের নামও তাই বেছে নেওয়া হয়েছে এই দুই দেবীর নাম। কালী ও দূর্গা।

ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য কোমর বাঁধছে ভারতীয় সেনা। বৈজ্ঞানিকরা বানিয়ে ফেলেছেন এমন এক জোড়া অস্ত্র, যা আজ পর্যন্ত উন্নত দেশগুলি না বানাতে পেরেছে, না ভেবেছে! আজকে যা দেখাব আপনাদের, তার কাছে কল্পবিজ্ঞানের গল্প-ও হার মানবে। এমন এক জোড়া অস্ত্র, যা শুধু শত্রুকে নিকেশ করে দেবে না, তাকে কার্যত বাষ্পে পরিণত করবে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকেই ভ্যানিশ করে দেবে। ভারতের জয় নিশ্চিত করবে। শুনলেই মনে হচ্ছে না, প্রফেসর শঙ্কুর অ্যানাইহিলিন পিস্তলের কথা? DRDO ও ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চের গবেষকরা দিনরাত এক করে বানিয়ে ফেলেছেন তেমনই এক জোড়া অ্যানাইহিলিন। এই হাতিয়ার চালাতে গোলা-বারুদ লাগবে না। কোনও নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত এই অস্ত্রের মারণ ক্ষমতা আটকে থাকবে না। ভারতের দিকে ধেয়ে আসা মিসাইল বা ড্রোন-কে বহু দূর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ভারতীয় সেনার এই মুহূর্তের সবচেয়ে ক্লাসিফায়েড প্রজেক্টের একটা ঝলক দেখাব। অবশ্যই জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থকে বিঘ্নিত না করে।
মা দূর্গা, কালী পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে তাঁরা আমাদের রক্ষা করেন অসুরদের হাত থেকে। দেশের প্রতি প্রান্তে তাঁরা পূজিতা হন। আলাদা আলাদা নামে-রূপে। তবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে নাম বা রূপ আলাদা হলেও দূর্গা ও কালী যে আমাদের রক্ষা কর্তা – এবিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভারতীয় সেনার দুটি লেটেস্ট ও ফিউচারেস্টিক অস্ত্রের নামও তাই বেছে নেওয়া হয়েছে এই দুই দেবীর নাম। কালী ও দূর্গা। দুটি অস্ত্রই ডিরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন্স বা DEW। কাইনেটিক এনার্জি নির্ভর প্রথাগত গুলি-মিসাইল নয়, এই জোড়া অস্ত্র কনসেনট্রেটেড এনার্জি নির্ভর।
১. কালী বা কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়ার ইনজেকটর

কালী ভারতের প্রথম ও আল্টিমেট ইলেক্ট্রনিক শিল্ড বা রক্ষাকবচ। কয়েক বিলিয়ন ওয়াটের শক্তি উৎপাদন করবে নিমেষে। তারপর এই বিপুল শক্তি বিমের মতো একটা সরু রশ্মি রূপে আঘাত করবে শত্রুর যুদ্ধবিমান বা হেলিকপ্টারে। পোশাকি নাম কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়ার ইনজেকটর। সংক্ষেপে কালী। কালী আলোর গতিবেগে হামলা করবে। ঘনঘন শক্তিশালী ইলেক্ট্রন বিম হামলায় ভিতর থেকে পুড়ে যাবে শত্রুদের মিসাইল-ড্রোন। মহাকাশ থেকে কোনও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে গেলে কালীর সফ্ট কিল টেকনোলজি পুড়িয়ে দেবে স্যাটেলাইটের সব কম্পিউটার, মাদার বোর্ড, মাইক্রো চিপ। কালী আসলে ইলেক্ট্রন অ্যাক্সেলেটর অস্ত্র। বলতে পারেন, হাই পাওয়ার মাইক্রো-ওয়েভ গান। শুধু হামলা নয়, DRDO ও ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চের গবেষকরা কালী-কে কবচের মতোও ব্যবহারের উপযোগী বানিয়েছেন। যার মানে কালীর ঢাল-
- ভারতের স্যাটেলাইট-কে বহিরাগত যে কোনও হামলা থেকে বাঁচাবে
- EMP হামলা হোক বা পরমাণু হামলা- ভারতের ঢাল হয়ে অভেদ্য ‘কালী’
- রক্ষা ও হামলা- দুয়েই পারদর্শী, তাই পুরাণ অনুসারে নাম ‘কালী’
- কয়েক গিগাওয়াট শক্তিকে মুহূর্তে পরিণত করবে বিম বা রশ্মিতে
- আলোর গতিবেগে হামলা করবে ধেয়ে আসা মিসাইল-ফাইটার জেটকে
- মাটি থেকে আকাশে এমনকী মহাকাশেও হামলা করা যাবে
- ভারতের হাতে রয়েছে কালীর ১ থেকে ১০ হাজার মডেল
২. দুর্গা বা ডিরেকশনালি আনরেস্ট্রিক্টেড রে গান অ্যারে

একা কালী নয়, ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি দুর্গা-ও। হালকা ওজনের ১০০ কিলোওয়াট, হাই পাওয়ার সলিড লেজার ওয়েপন। পুরাণ অনুসারে নাম দুর্গা। ভারতের হাতে এখন রয়েছে দূর্গা-২। অনেকটা কালী-র মতোই টার্গেট করে ধ্বংস করবে শত্রুর ড্রোন, রকেট হামলাকে। আকার ও ওজনে কম হওয়ায় সহজেই মোবাইল প্ল্যাটফর্মের উপরে বসানো যায়। ভারতীয় সেনা গ্রাউন্ড কমব্যাট ভেহিক্যাল বা ব্যাটেল ট্যাঙ্কে, রণতরীতে, যুদ্ধবিমানে দূর্গা-২ ইন্সটল করছে। গোলা-বারুদ লাগে না। অটো ফোকাস হাই এনার্জি বিম হামলা করে দুশমনের উপরে। দূর্গা ১ এর থেকে দূর্গা ২-তে বড় আপগ্রেড এই অটো ফোকাস। যার মানে ধেয়ে আসা মিসাইলকে নিজে থেকেই টার্গেট লক করে পাল্টা হামলা চালিয়ে পুড়িয়ে দেবে দূর্গার তেজ। শত্রুর মিসাইল বারবার গতিপথ ও স্পিড পাল্টালেও দূর্গা-র চোখ এড়াতে পারবে না। এটা পুরোটাই DRDO-র বানানো। সেনার তিন বাহিনীতেই ইন্টিগ্রেশন করা যাবে, এমন করেই বানানো হয়েছে। যে কোনও আধুনিক হাইপারসনিক মিসাইলের চেয়েও ভারতের দূর্গা কেন বেশি বিপজ্জনক?
- হাইপারসনিক মিসাইল প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে
- যত আধুনিকই হোক না কেন টার্গেট পর্যন্ত পৌঁছতে ন্যূনতম সময় লাগে
- দুর্গা-২ ছুটতে পারে আলোর গতিতে, সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিমি
- ইন্টারসেপ্টর মিসাইল বানাতে কমপক্ষে ২৫ কোটি টাকা খরচ
- যুদ্ধে হামলা করতে হাজার হাজার মিসাইল লাগে, বিপুল খরচ হয়
- দুর্গা-২ চালাতে লাগে হাই ইলেক্ট্রিকাল পাওয়ার, যা অনেক সস্তা
- মিসাইল লোড করতে ন্যূনতম সময় লাগে, পরপর ছোড়া যায় না
- দুর্গা-২ এমন ভাবাবেই বানানো, আনলিমিটেড হামলা করতে পারবে
ভারতীয় বৈজ্ঞানিকদের মতে, প্রাথমিক রূপেই কালী ও দুর্গা- এমন প্রলয় ডেকে আনতে পারে যা ভবিষ্যতের যুদ্ধের ধারণাকেই বদলে দিতে পারে। তাই এই জোড়া অস্ত্র-কে সামরিক কাজে ব্যবহারের আগে বারবার টেস্ট করে দেখে নেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশা ভেদ করে লেজার অস্ত্র কতটা দূর পর্যন্ত হামলা করতে পারে সেটাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সমস্যা আরও একটা আছে। পাহাড় ভেদ করে লেজার বিম দিয়ে হামলা চলে না। মিসাইলের মতো রশ্মি , গতিপথ বদলাতে পারে না। এই সব প্রতিকূলতা এড়াতে পরীক্ষা নিরিক্ষা এখনও চলছে। অপারেশন সিঁদুর, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ বা ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ দেখিয়েছে, হামলার পাশাপাশি দেশকে বাঁচানোর প্রযুক্তি থাকাটাও কতটা জরুরি। কমদামি, বড়জোর ৫০০ ডলারের ড্রোনে বিস্ফোরক পুরে হামলাতেও শয়ে শয়ে মানুষ মারা যেতে পারে। সীমান্ত রক্ষা ও দেশের নাগরিকদের রক্ষায় দুর্গা ও কালী-কে ঢাল বানাচ্ছে ভারত। যে ঢাল প্রয়োজনে তরোয়ালের রূপ নিতে পারে নিমেষে।
