S Jaishankar Gulf-EU Visit: পেট্রোল-ডিজেল আগের দামে ফেরাতে মরিয়া কেন্দ্র, কী পদক্ষেপ করছে এবার?
Oil & Energy Supply: জানা গিয়েছে, আগামী ৫ থেকে ১০ জুলাই কাতার, বাহারিন, কুয়েত এবং ওমানের বিদেশমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। ইরান-আমেরিকা শান্তি চুক্তির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে কতটা পরিস্থিতি বদল হয়েছে, তা জানবেন।

নয়া দিল্লি: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে সাময়িক ইতি। মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবার চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু করল বিদেশ মন্ত্রক। আজ, রবিবার থেকে টানা পাঁচ দিনের পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে সফর শুরু করছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের দেশেও সফর করবেন তিনি।
কোন কোন দেশে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর?
জানা গিয়েছে, আগামী ৫ থেকে ১০ জুলাই কাতার, বাহারিন, কুয়েত এবং ওমানের বিদেশমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। ইরান-আমেরিকা শান্তি চুক্তির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে কতটা পরিস্থিতি বদল হয়েছে, তা জানবেন। এরপরে তিনি ১৩ জুলাই নিউ ইয়র্কে যাবেন রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের অস্থায়ী আসনের আনুষ্ঠানিক সূচনার জন্য। ১৪ ও জুলাই তিনি ব্রাসেলসে ভারত-ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের বাণিজ্য ও প্রযুক্তি কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দেবেন।
কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?
জানা গিয়েছে, প্রাক যুদ্ধকালীন সময়ের সম-পরিমাণ তেল এবং এলপিজি সরবরাহ ফের ধারাবাহিক ও স্বাভাবিক করাই লক্ষ্য। তেল ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হরমুজ প্রণালী সচল করার ক্ষেত্রেও এই চার দেশকে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন জানাবেন জয়শঙ্কর।
মার্কিন সফরেও যাবেন বিদেশমন্ত্রী
এখানেই শেষ নয়, মধ্যপ্রাচ্য সফর শেষ করেই আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। তেহরানে খামেনেই-র শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে ভারতীয় প্রতিনিধিদের উপস্থিতির মধ্যেই বিদেশ মন্ত্রীর এই মধ্যপ্রাচ্যের সফর তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ একদিকে যেমন আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত। তেমনই ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কও বজায় রাখতে চায়। সেই কারণেই এই যুদ্ধেও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছিল। এবার যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে সম্পর্ক কোন দিকে গড়ায়, তা-ই দেখার।
